অনুসরণকারী/follow

SOCIAL MEDIA

Translate

শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫

মায়াপুর ইসকন মন্দিরে ফুলের দোল উৎসব

মায়াপুর, নদিয়া, ১৫ মার্চ: গতকাল মায়াপুর ইসকন মন্দিরে দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে এক অপূর্ব ও পবিত্র ফুলের দোল উৎসব উদযাপিত হয়। হাজার হাজার ভক্তের উপস্থিতিতে এই উৎসব এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ সৃষ্টি করে।

দোল পূর্ণিমা, যা শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীরাধার মিলনোৎসব হিসেবেও পরিচিত, সেই উপলক্ষে মায়াপুর ইসকন মন্দির মনোরম ফুলের সাজে সজ্জিত হয়েছিল। সকাল থেকেই ভক্তরা মন্দির প্রাঙ্গণে সমবেত হতে শুরু করেন। মন্দিরের পুরোহিতগণ শ্রীশ্রী রাধা-মাধবের বিশেষ পূজা এবং অভিষেক করেন। এরপর হরিনাম সংকীর্তন, ভাগবত পাঠ এবং নানা ধরনের ভক্তিমূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

এই উৎসবের বিশেষত্ব হলো, এখানে সাধারণ রঙের পরিবর্তে শুধুমাত্র ফুল ব্যবহার করা হয়। দুপুরের দিকে শুরু হয় অনন্য ফুলের খেলা, যেখানে ভক্তরা একে অপরের ওপর নানা রঙের সুগন্ধি ফুল ছিটিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। এটি এক বিশেষ আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা সৃষ্টি করে, যেখানে ভগবানকে উৎসর্গ করা ফুল ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। সারা মন্দির চত্বর ফুলের সৌরভে ভরে ওঠে।

উৎসব উপলক্ষে ইসকন মন্দির কর্তৃপক্ষ প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করে, যেখানে হাজার হাজার ভক্ত মহাপ্রসাদ গ্রহণ করেন। দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক ও ভক্ত এই শুভ মুহূর্তের সাক্ষী হতে এখানে আসেন।

মায়াপুর ইসকন মন্দিরের প্রধান অধ্যক্ষ বলেন, “দোল পূর্ণিমা কেবল রঙের উৎসব নয়, এটি শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীরাধার প্রেমের মহোৎসব। আমাদের মায়াপুর ধামে আমরা শুধুমাত্র ফুল ব্যবহার করে এই উৎসব উদযাপন করি, যা এক বিশেষ পবিত্রতার অনুভূতি এনে দেয়।”

এই বর্ণাঢ্য ফুলের দোল উৎসব ভক্তদের মনে এক অপূর্ব স্মৃতি তৈরি করেছে। আগামী বছর আবারও একই উচ্ছ্বাসে দোল পূর্ণিমা উদযাপনের প্রত্যাশায় সবাই

রবিবার, ২ মার্চ, ২০২৫

বিবেকানগর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান

বিবেকানগর রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে আজ এক বিশেষ সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মঠের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর রাখতে প্রতিদিন যাঁরা নিরলসভাবে পরিশ্রম করেন, তাঁদের এই মহৎ কাজকে স্বীকৃতি জানাতে মন্দির চত্বরে এক ব্যতিক্রমী আয়োজনে তাঁদের সম্মান জানানো হয়।

ভিডিও লিংক 

পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য

বিবেকানগর রামকৃষ্ণ মঠের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু করে মন্দির চত্বর, আশ্রম, টয়লেট-বাথরুমসহ আশ্রমের প্রতিটি কোণ পরিষ্কার করেন। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই এই প্রতিষ্ঠান সবসময় পরিচ্ছন্ন ও পূজনীয় পরিবেশ বজায় রাখতে সক্ষম হয়। তাঁদের এই অবদানকে স্বীকৃতি জানিয়ে আজকের দিনে তাঁদের মন্দিরে বসিয়ে বিশেষ পূজার আয়োজন করা হয়।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত সন্ন্যাসী ও আশ্রমের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ত্যাগ ও পরিশ্রমের কথা স্মরণ করেন এবং তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পরে তাঁদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয় এবং তাঁদের মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

সমাজের প্রতি বার্তা

এইআয়োজনের মাধ্যমে বিবেকানগর রামকৃষ্ণ মঠ সমাজের প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছে দিয়েছে—পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা আমাদের সমাজের অমূল্য অংশ এবং তাঁদের যথাযথ সম্মান প্রদান করা উচিত। তাঁদের কঠোর পরিশ্রম ও অবদান ছাড়া পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব নয়।

অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে, যাতে সমাজের সকল স্তরের মানুষের প্রতি সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শন নিশ্চিত করা যায়।

নতুন খবরের আপডেট 



বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

কোথায় দ্রুত রেলপথ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হতে চলেছে

জয়দীপ মৈত্র, ২৬ফেব্রুয়ারী,দক্ষিণ দিনাজপুর: দ্রুত কালিয়াগঞ্জ - বুনিয়াদপুর রেলপথ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হতে চলেছে। পাশাপাশি বালুরঘাট - হিলি রেলপথ সম্প্রসারণে রেলপথ স্থাপনের কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে জানালেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। 

এদিন তিনি বলেন, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে এই বিষয়ে জানানোর পর তিনি এদিন চিঠি দিয়ে জানান বালুরঘাট - হিলি রেলের জমি অধিগ্রহণ যতদূর পর্যন্ত হয়েছে সেই জমিতে লাইন পাতার কাজ শুরু করা হবে, বাকি জমি অধিগ্রহণের কাজ হবে। 

অপরদিকে কালিয়াগঞ্জ - বুনিয়াদপুর রেল সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণের টাকা বরাদ্দ করেছে রেল, দ্রুত জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হবে। 

সেদিন রেলমন্ত্রী বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার এবং রায়গঞ্জের সংসদ কার্তিক পাল কে চিঠি দিয়ে


 কালিয়াগঞ্জ - বুনিয়াদপুর জমি অধিগ্রহণের কাজ এবং বালুরঘাট - হিলি রেল লাইন পাতার কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে জানিয়েছেন।

সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

স্টার অ্যাথলিট অফ দ্য ইয়ার: নতুন দিগন্তের পথে এক সাহসী পদক্ষেপ

স্টার অ্যাথলিট অফ দ্য ইয়ার: নতুন দিগন্তের পথে এক সাহসী পদক্ষেপ

ওরিয়েন্টাল চেম্বার অফ কমার্স দ্বারা "স্টার অ্যাথলিট অফ দ্য ইয়ার" নির্বাচিত হওয়া কেবলমাত্র ব্যক্তিগত সাফল্যের প্রতিফলন নয়, বরং এটি খেলাধুলার ক্ষেত্রে মহিলাদের জন্য নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করার এক অনন্য মাইলফলক। এই সম্মাননা প্রাপ্তির মাধ্যমে আমি শুধু নিজের জয় উদযাপন করছি না, বরং আরও অনেক নারী ক্রীড়াবিদকে অনুপ্রাণিত করতে চাই।

মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সাথে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সাথে আমার আলোচনা অত্যন্ত অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ ছিল, যেখানে আমরা ভারতের অর্থনৈতিক কাঠামো এবং তাতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টদের ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। পাশাপাশি, আমরা জিএসটি সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় এবং কেটলবেল স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়েও মতবিনিময় করেছি। এই আলোচনা নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এবং ক্রীড়াক্ষেত্রের প্রসারের সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ ও অনুপ্রেরণা

এই অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক উপস্থিতি ছিল সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। অস্ট্রেলিয়ার কনসাল জেনারেল আমার ২০১৯ সালের অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্ব খেতাব জয় নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতের ক্রীড়াজগতের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। অন্যদিকে, জার্মান কনসুলেট জেনারেল আমার ক্রীড়া যাত্রা নিয়ে গভীর আগ্রহ দেখিয়েছেন এবং আমার সম্মুখীন হওয়া চ্যালেঞ্জ ও অর্জন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন।

একটি নতুন দিগন্তের সূচনা

এই সম্মাননা কেবলমাত্র ব্যক্তিগত সাফল্যের স্বীকৃতি নয়, এটি মহিলাদের খেলাধুলার অগ্রগতির প্রতীক। আমি বিশ্বাস করি, এই অর্জন ভবিষ্যতে আরও বেশি সংখ্যক নারী ক্রীড়াবিদকে তাদের স্বপ্ন পূরণে উৎসাহিত করবে এবং আমাদের সমাজে নারীদের ক্রীড়াক্ষেত্রে অংশগ্রহণ আরও সুদৃঢ় করবে।

এই বিশেষ মুহূর্তটি আমাকে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, এবং আমি আশা করি, ভবিষ্যতে আরও অনেক নারী এই পথ ধরে এগিয়ে যাবেন এবং বিশ্ব দরবারে নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরবেন।

বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আধার কার্ড ছাড়াই পরিষেবা গ্রহণের নতুন নিয়ম

Report -soumen (Dinkaal India)

ভারত সরকার আধার কার্ড ব্যবহারে নতুন নিয়ম চালু করেছে, যা নাগরিকদের জন্য আরও সহজ এবং নিরাপদ পরিষেবা নিশ্চিত করবে। আধার কার্ড ছাড়াই পরিষেবা গ্রহণের সুযোগ প্রদান করার লক্ষ্যে নতুন এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের মতে, এটি ডিজিটাল ভারতে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং নাগরিকদের জন্য আরও সুবিধাজনক হবে।


নতুন নিয়ম কী?


নতুন নিয়ম অনুসারে, বিভিন্ন পরিষেবা গ্রহণের সময় আধার কার্ড বহন করার প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র ফেস অথেন্টিকেশন বা মুখ স্ক্যান করলেই পরিচয় নিশ্চিত হয়ে যাবে। এটি বিশে

ষত সেসব নাগরিকদের জন্য উপকারী হবে, যাঁদের কাছে সর্বদা আধার কার্ড বহন করা সম্ভব হয় না।


ফেস অথেন্টিকেশন প্রযুক্তি চালু


এই নতুন নিয়মে ফেস অথেন্টিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে নাগরিকদের পরিচয় যাচাই করা হবে উন্নত বায়োমেট্রিক সিস্টেমের সাহায্যে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হবে। ফলে, ওটিপি, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আইরিস স্ক্যানের ঝামেলা ছাড়াই সহজেই পরিচয় নিশ্চিত করা যাবে।


ফেস অথেন্টিকেশন পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে বয়স্ক এবং নিরক্ষর ব্যক্তিদের জন্য এটি একটি বড় সুবিধা হবে। কারণ, অনেক ক্ষেত্রেই তাঁদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আইরিস স্ক্যান সঠিকভাবে কাজ করে না। নতুন এই ব্যবস্থা পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়াকে আরও নির্ভুল এবং দ্রুত করবে।


নিরাপত্তা ও প্রতারণা প্রতিরোধ


এই প্রযুক্তি প্রতারণার সম্ভাবনা কমিয়ে আনবে, কারণ প্রতিটি মানুষের মুখের গঠন এবং আইরিস আলাদা হয়, যা নকল করা প্রায় অসম্ভব। আধার কার্ড সংক্রান্ত জালিয়াতি প্রতিরোধে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আধার কার্ডের তথ্য চুরি বা অন্য কারও নামে ব্যবহারের ঝুঁকি কমবে, কারণ শুধুমাত্র আসল ব্যবহারকারীই নিজের মুখ স্ক্যান করে সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।


নাগরিকদের জন্য সুবিধা


নতুন নিয়ম চালুর ফলে নাগরিকরা আরও সহজে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবা গ্রহণ করতে পারবেন। ব্যাংকিং, রেশন কার্ড, মোবাইল সিম ক্রয়, সরকারি অনুদান গ্রহণ, ট্যাক্স ফাইলিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এটি কার্যকরী হবে।


ফেস অথেন্টিকেশন কীভাবে কাজ করবে?


ফেস অথেন্টিকেশন প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। নির্দিষ্ট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলি উন্নত সফটওয়্যার ব্যবহার করে নাগরিকদের মুখমণ্ডলের ছবি তুলবে এবং তা সরকারের ডাটাবেসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখবে।


এটি মূলত তিনটি ধাপে সম্পন্ন হবে:


মুখ স্ক্যান – ব্যবহারকারীর ছবি তোলা হবে।


ডাটাবেস যাচাই – সরকারের সংরক্ষিত তথ্যের সাথে তুলনা করা হবে।


পরিচয় নিশ্চিতকরণ – মিল পাওয়া গেলে সেবা প্রদান করা হবে।


ফেস অথেন্টিকেশন ব্যবহারের ক্ষেত্র


সরকারি ভাতা ও সুবিধা পাওয়া


ব্যাংকিং লেনদেন


মোবাইল সিম কেনা ও রেজিস্ট্রেশন


রেশন কার্ডের মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী গ্রহণ


ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল করা


নতুন নিয়মের চ্যালেঞ্জ ও সমাধান


নতুন নিয়মের সুবিধার পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে।


প্রযুক্তিগত সমস্যা – কিছু ক্ষেত্রে ফেস অথেন্টিকেশন সফটওয়্যার ভুল শনাক্ত করতে পারে।


সমাধান: উন্নত সফটওয়্যার আপডেট ও যাচাইকরণ ব্যবস্থা উন্নত করা।


গোপনীয়তা ও তথ্য সুরক্ষা – ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ।


সমাধান: শক্তিশালী সাইবার সিকিউরিটি ব্যবস্থা গ্রহণ ও তথ্য এনক্রিপশন ব্যবহার।


ডিজিটাল ইন্ডিয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে


এই পরিবর্তনের ফলে আধার কার্ড সঙ্গে বহন করার প্রয়োজনীয়তা কমবে এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবা গ্রহণ আরও সহজ হবে। এটি ডিজিটাল ইন্ডিয়া গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


নাগরিকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে ভারত সরকার আধার কার্ড সংক্রান্ত এই নতুন নিয়ম চালু করেছে, যা ভবিষ্যতে পরিচয় যাচাই ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক এবং কার্যকর করবে।




মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪

আগামী বছরের মধ্যে সোনার দাম বাড়বে নাকি কমে যাবে ?

 





সোনার দাম আগামী বছরে (2025) উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়তে পারে। বিভিন্ন বিশ্লেষক এবং অর্থনৈতিক সংস্থা আশা করছেন যে, সোনার দাম $2,700 থেকে $2,900 প্রতি ট্রয় আউন্সে পৌঁছাতে পারে।

গোল্ডম্যান স্যাচস জানিয়েছে যে সোনার দাম ২০২৫ সালের শুরুতে $2,900 পৌঁছাতে পারে, যা বর্তমান দামের তুলনায় ৯% বৃদ্ধি নির্দেশ করে। এই বৃদ্ধি প্রধানত নিম্ন সুদের হার এবং উন্নয়নশীল দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলির থেকে উচ্চ চাহিদার কারণে হতে পারে। TD সিকিউরিটিজের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোনার দাম 2025 সালের প্রথম ত্রিমাসিকে $2,495 হবে, যা পরবর্তীতে কিছুটা পরিবর্তন হয়ে $2,375 এ নেমে আসতে পারে।

এছাড়া, geopolitical উদ্বেগ, যেমন ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, সোনার নিরাপত্তা হিসেবে চাহিদা বাড়াতে সাহায্য করবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলির ক্রমবর্ধমান সোনার ক্রয়ও এই প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করবে।

অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, যদি তহবিলের সুদের হার কম থাকে এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়, তাহলে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।

অতএব, আগামী বছরের মধ্যে সোনার দাম কতটা বৃদ্ধি পাবে তা বিভিন্ন বিশ্লেষকের পূর্বাভাসের উপর নির্ভর করছে, তবে সামগ্রিকভাবে তা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪

ভারতের অন্যতম পুরনো এবং সবচেয়ে বিখ্যাত সোনার খনি কোনটি? আপনি কি জানেন?


কোলার গোল্ড ফিল্ডসে সোনার খনির ইতিহাস কয়েক শতাব্দী প্রাচীন। এখানে প্রাচীনকাল থেকে সোনা উত্তোলন করা হচ্ছিল বলে মনে করা হয়।


ঔপনিবেশিক যুগ: ব্রিটিশরা ১৯শ শতকের মাঝামাঝি কোলার গোল্ড ফিল্ডসে আধুনিক খনন প্রযুক্তি নিয়ে আসে। ১৯০০ সালের দিকে এটি ব্যাপকভাবে সোনা উৎপাদনে সফল হয়।

কোলার গোল্ড ফিল্ডস (Kolar Gold Fields বা KGF) হল ভারতের অন্যতম পুরনো এবং বিখ্যাত সোনার খনি, যা কর্ণাটক রাজ্যের কোলার জেলায় অবস্থিত। এটি ১৯শ শতকের শেষের দিকে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ইতিহাসের প্রেক্ষিতে এটি সোনার উৎপাদনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছিল।

খনির কার্যক্রম

কোলার গোল্ড ফিল্ডসে খনিগুলি গভীর খনন পদ্ধতির মাধ্যমে পরিচালিত হত। এটি ৩,০০০ মিটার (১০,০০০ ফুট) পর্যন্ত গভীর ছিল, যা এটিকে ভারতের অন্যতম গভীর সোনার খনি হিসাবে পরিচিত করে।

এখানে সোনার উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং এটি ভারতীয় সোনার উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে ওঠে।

বর্তমান অবস্থা ২০০১ সালে কোলার গোল্ড ফিল্ডসের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধের কারণ ছিল সোনার মূল্যহ্রাস এবং খনির কার্যক্রম পরিচালনার খরচ বাড়া।

বর্তমানে, কোলার গোল্ড ফিল্ডস একটি ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে পরিচিত, যেখানে পর্যটকরা খনির ইতিহাস ও তার সাংস্কৃতিক গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে আসেন।

কোলার গোল্ড ফিল্ডসের খনির ইতিহাস স্থানীয় মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এখানে সোনার খনি কেন্দ্রিক জীবনযাত্রা, সমাজ এবং অর্থনীতির একটি বড় অংশ ছিল।

দর্শনীয় স্থান

কোলার গোল্ড ফিল্ডসের আশেপাশে বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছে, যেমন:

কোলার গোল্ড ফিল্ডসের পুরানো খনির স্থাপনা

সপ্তমা দেবী মন্দির

ওল্ড কোলার শহর

কোলার গোল্ড ফিল্ডস ভারতের খনি শিল্পের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং এটি সোনার উৎপাদনের জন্য পরিচিত একটি ঐতিহাসিক কেন্দ্র।








 

শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

বেতন পাচ্ছেন না রাজবংশী ভাষার শিক্ষক-শিক্ষিকারা। বকেয়া বেতন দেওয়ার দাবিতে এদিন বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা শাসকের দপ্তরের সামনে গণ অবস্থান

 বালুরঘাট, দক্ষিণ দিনাজপুর:- 


দীর্ঘ ১০ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না রাজবংশী ভাষার শিক্ষক-শিক্ষিকারা। বকেয়া বেতন দেওয়ার দাবিতে এদিন বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা শাসকের দপ্তরের সামনে গণ অবস্থান করে 'দি গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশন'। 


এদিন বালুরঘাট শহরে মিছিল করে এসে জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে সামিল হন সংগঠনের সদস্যরা। 

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ১৬ টি স্কুলে রাজবংশী ভাষায় পঠন পাঠনের জন্য ৪৩ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয় গত ডিসেম্বর মাসে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘ ১০ মাস হয়ে গেলেও, এখনো পর্যন্ত বেতন পাননি ওই সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা। 

বকেয়া বেতনের দাবিতে এদিন দি গ্রেটার কোচবিহার পিপল'স অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে গণ অবস্থান এবং পরবর্তীতে জেলা শাসক কে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

বিশ্বকর্মা প্রতিমা তৈরির শেষ প্রস্তুতি চলছে কুমোরটুলিতে

 ১২ সেপ্টেম্বর, দক্ষিণ দিনাজপুরঃ চলতি মাসের ১৭ সেপ্টেম্বর সারা বাংলা জুড়ে নানান কলকারখানা সহ অনেক দোকান লোহা লক্কড়ের দোকান সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পূজিত হবেন কারিগরি দেবতা তথা বিশ্বকর্মা দেব।

এরপর মহালয়ার পূণ্য তিথিতে পিতৃপক্ষের অবসান হয়ে মাতৃপক্ষের সূচনা হবে এবং শারদীয়া উৎসব দেবী দুর্গাপূজা শুরু হবে। চলতি সপ্তাহের অন্ত থেকেই মাতৃপক্ষের সূচনার সাথে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দূর্গো উৎসবের দামামা বেজে উঠবে।প্রসঙ্গত, গত ৪ আগে বছর করোনা আবহ তথা লকডাউনের জেরে বিশ্বকর্মা প্রতিমার বায়না তেমন না পাওয়ায় মাথায় হাত পড়ে ছিল কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীদের। 

তবে লকডাউন শিথিল হতেই গত ৩ বছরে মুখে হাসি ফুটেছে মৃৎশিল্পীদের। বাঙালির আবেগের ওপর অন্য কিছু হয় না কারণ বিশ্বকর্মা পূজা মানেই আগমনীর বার্তা বিশ্বকর্মা পুজো শুরু হওয়া মানে দেবী দুর্গার বোধন শুরু হওয়া তাই খুশির জোয়ারে ভাসতেই বিশ্বকর্মা পূজার মধ্য দিয়ে দূর্গাপূজার আবেগে ভাসবেন সকলে। তার আগে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীদের বিশ্বকর্মা প্রতিমার শেষ তুলির টান দিতে দেখা গেল, তাদের প্রস্তুতি ভীষণভাবে তুঙ্গে কারণ সপ্তাহতেই অর্ডার করা বিশ্বকর্মা প্রতিমা পৌঁছে দিতে হবে নানান জায়গায়। এই বিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর পৌরসভার ১২ নং ওয়ার্ডের দত্তপাড়া এলাকার মৃৎশিল্পী ভুবন শীল জানান, “লকডাউনের জেরে প্রতিমা বিক্রি ও বায়না না পেয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছিল।


কিন্তু ধীরে ধীরে লকডাউন শিথিল হতেই বর্তমানে ৩ বছর পর বিশ্বকর্মা পুজোর দিন এগিয়ে আসর আগে থেকে বিভিন্ন ক্লাব অন্যান্য কারখানা দোকান বড় বড় বাড়ি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছোট-বড় নানান ধরণের বিশ্বকর্মা প্রতিমা বায়না করে যাচ্ছেন, ১৬ তারিখে ডেলিভারি দিব তাই শেষ প্রস্তুতি চলছে, আমাদের দিকে ভগবান মুখ তুলে তাকিয়েছেন”। তবে বলাই বাহুল্য, প্রতিমা বিক্রির বায়না পেয়ে হাসি মুখে মনের আনন্দে কারিগরি দেবতা তথা বিশ্বকর্মা ঠাকুরকে তৈরি করেছেন মৃৎশিল্পীরা। বিশ্বকর্মা পূজার পর মহালয়ার পূণ্য তিথিতে দেবী দুর্গার বোধন শুরু হবে এবং মাতৃ পক্ষের সূচনা হবে তার সাথে সাথে তাল মিলিয়ে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন ক্ষেত্রে কলকারখানা সহ ক্লাব, বারোয়ারী ও বনেদি বাড়ি, বিভিন্ন জায়গায় বিশ্বকর্মা পূজা ও দূর্গাপূজা হবে আর তাতেই এই আনন্দ জোয়ারে গা ভাসাবেন আপামর বাঙালি। তাই তার আগে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন কুমোরটুলিতে কারিগরি দেবতা তথা বিশ্বকর্মা প্রতিমা তৈরির শেষ প্রস্তুতি চলছে তুঙ্গে। দিনরাত এক করে ঘেমে নেয়ে প্রতিমা তৈরি করে চলেছেন মৃৎশিল্পীরা। তাদের ঘরে এখন শুধুই ব্যস্ততা প্রতিমা তৈরীর জন্য।