অনুসরণকারী/follow

SOCIAL MEDIA

Translate

শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

ভর সন্ধ্যায় হাবরায় সোনার দোকানে ডাকাতির চেষ্টা রুখল জনতা ও নিরাপত্তারক্ষী, আটক ১

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাবরা: ভর সন্ধ্যায় জনবহুল হাবরা বাজারে এক নামজাদা সোনার দোকানে ডাকাতির চেষ্টা রুখে দিল স্থানীয় জনতা ও দোকানের নিরাপত্তারক্ষী। শনিবার সন্ধ্যার এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সাহসিকতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করায় বড়সড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে জুয়েলারি শোরুমটি। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত যুবককে আটক করেছে হাবরা থানার পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় হাবরা বাজারের একটি নামজাদা সোনার দোকানে মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় এক যুবক প্রবেশের চেষ্টা করছিল। সন্দেহ হওয়ায় প্রবেশপথেই তাকে বাধা দেন দোকানের কর্তব্যরত নিরাপত্তারক্ষী। বাধা পেয়েই ওই যুবক মেজাজ হারিয়ে ফেলে এবং পকেট থেকে একটি ধারালো চাকু ও আগ্নেয়াস্ত্র সদৃশ বস্তু বের করে নিরাপত্তারক্ষীকে ভয় দেখাতে শুরু করে।

​ঠিক সেই সময় দোকানের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন এক পথচারী। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি অসীম সাহসের পরিচয় দিয়ে পেছন থেকে আততায়ীকে জাপটে ধরেন। তাঁর চিৎকার শুনে মুহূর্তের মধ্যে আশেপাশের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ছুটে আসেন এবং দুষ্কৃতীকে ধরে ফেলেন। জনরোষের মুখে পড়ে কার্যত কোণঠাসা হয়ে যায় ওই যুবক। স্থানীয়দের তৎপরতায় বড় কোনো অঘটন ঘটার আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

​ঘটনার খবর পাওয়ামাত্রই হাবরা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে একটি ধারালো চাকু উদ্ধার হয়েছে।

​পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ধৃত যুবক ঠিক কী উদ্দেশ্যে এবং কার মদতে সোনার দোকানে ঢোকার চেষ্টা করছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর পেছনে কোনো আন্তঃরাজ্য ডাকাত দল বা বড় কোনো চক্র কাজ করছে কিনা, তাও তদন্তের আওতাভুক্ত। অভিযুক্তের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

​ভর সন্ধ্যায় বাজারের মতো জনবহুল এলাকায় এমন দুঃসাহসিক চুরির চেষ্টায় অন্যান্য ব্যবসায়ীদের মধ্যেও সাময়িকভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ঘটনার পর থেকে এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও থমথমে ভাব বজায় রয়েছে।

Video Link ----


 উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা এলাকায় দম্পতির ওপর নৃশংস হামলা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে ছড়িয়েছে তীব্র উত্তেজনা। অভিযোগ, রাস্তা আটকে এক দম্পতিকে নির্জন মাঠে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয় এবং মহিলার শ্লীলতাহানি করা হয়। এমনকি ছিনিয়ে নেওয়া হয় সোনার হার। এই ঘটনায় ইতিমধেই একজনকে গ্রেফতার ও অপর একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ঘটনার সূত্রপাত যখন এক দম্পতি নিজেদের গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী তাদের পথ আটকায়। দম্পতিকে জোরপূর্বক একটি ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। প্রতিবাদ করতে গেলে ওই মহিলার স্বামীর ওপরও চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা।

সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগটি উঠেছে মহিলার ওপর শ্লীলতাহানির। দুষ্কৃতীরা মহিলার সঙ্গে জঘন্য আচরণ করে এবং শ্লীলতাহানি করে বলে লিখিত অভিযোগে জানানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, মহিলার গলায় থাকা সোনার চেনও দুষ্কৃতীরা ছিঁড়ে নেয় বলে খবর।

ঘটনার পর মুহূর্তেই গাইঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে নিগৃহীত পরিবারটি। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই দ্রুত তদন্তে নামে গাইঘাটা থানার পুলিশ। পুলিশি অভিযানে ইতিমধ্যেই জিৎ দাস নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি আজ আরও একজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ধৃত জিৎ দাসকে আজ বনগাঁ আদালতে পেশ করা হচ্ছে।


গোটা ঘটনার পেছনে আর কে কে জড়িত রয়েছে এবং এই হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত জারি রেখেছে গাইঘাটা থানার পুলিশ। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় যথেষ্ট আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।


 সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের চ্যানেলটি  (Subscribe) করতে ভুলবেন না। ধ

ন্যবাদ।"

মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

 নদীয়ায় জাল আধার চক্রের পর্দাফাঁস: পুলিশের জালে দুই মাস্টারমাইন্ড, উদ্ধার ল্যাপটপ ও সরঞ্জাম

নিজস্ব প্রতিনিধি, নদীয়া: সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় জাল নথিপত্র তৈরির কারবার রুখতে বড়সড় সাফল্য পেল নদীয়ার গাংনাপুর থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দিয়ে আধার কার্ড জালিয়াতি চক্রের দুই পাণ্ডাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে আধার কার্ড তৈরির ল্যাপটপ, মোবাইল এবং একাধিক ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম।

গাংনাপুর থানা সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই অভিযোগ আসছিল যে হাবিবপুর এলাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে আসা মানুষদের অবৈধভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র বানিয়ে দিচ্ছে। এই খবরের সত্যতা যাচাই করতে পুলিশ সাদা পোশাকে নজরদারি শুরু করে। মঙ্গলবার হাবিবপুর পি.এম এলাকা থেকে পুলিশ ওয়াসিম আকরাম মন্ডল বয়স ২৭এবং হুগলির হরিপালের বাসিন্দা পল্লব দুলে বয়স ৩১ দুজনকে হাতে-নাতে গ্রেফতার করে।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, এই চক্রটি মূলত বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের টার্গেট করত। তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে জাল আধার কার্ড ও অন্যান্য নথিপত্র তৈরি করে দেওয়া হতো। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ল্যাপটপ ও ফোন পরীক্ষা করে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্লু পাওয়ার আশা করছে পুলিশ।


ধৃত দুজনকে আজ রানাঘাট জেলা আদালতে পেশ করা হয়। এই চক্রের শিকড় কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এর পেছনে বড় কোনো মাথা কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ ধৃতদের ৭ দিনের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। ঘটনার তদন্ত জারি রয়েছে।

Video Link ----

সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬

বনগাঁ হেড পোস্ট অফিসে আরডিএক্স হামলার হুমকি! হুলস্থুল পড়ে গেল পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে

বনগাঁ: বৃহস্পতিবারের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের আতঙ্ক। এবার টার্গেট বনগাঁ হেড পোস্ট অফিসের পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র। শুক্রবার বেলা ১১টা নাগাদ একটি উড়ো মেইল আসে পোস্ট অফিসের আধিকারিকদের কাছে। যেখানে সাফ জানানো হয়, বেলা ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ আরডিএক্স (RDX) দিয়ে পুরো অফিস উড়িয়ে দেওয়া হবে।

মেইলটিতে দাবি করা হয়েছে, জনৈক জিহাদি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই হুমকি পাঠানো হয়েছে। সেখানে লেখা ছিল, "শুক্রবারই আসল জিহাদ, ১১টার মধ্যে অফিস খালি করুন।" মেইলটি দেখামাত্রই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। কালবিলম্ব না করে তৎক্ষণাৎ অফিস খালি করে বাইরে বেরিয়ে আসেন কর্মী ও সাধারণ মানুষ।

বনগাঁ হেড পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টার জানিয়েছেন, "মেইলটি পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা পুলিশকে খবর দিই এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ভবন খালি করার নির্দেশ দিই।" বর্তমানে পুলিশ ও প্রশাসন গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে। তল্লাশি চালানো হচ্ছে প্রতিটি কোণায়। তবে বারবার এই ধরণের হুমকিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

বনগাঁ পোস্ট অফিসের ঘটনা কি বড় কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ? 

আপনাদের মতামত কমেন্টে জানান। পরবর্তী আপডেট পাওয়া মাত্রই আমরা আপনাদের জানাব। আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এক্ষুনি সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকনটি প্রেস করে রাখুন। সতর্ক থাকুন, আমাদের সাথেই থাকুন

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ইডেনে ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’ লড়াই, জয়ের লক্ষ্যে মা কালীর শরণে গৌতম গম্ভীর

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সমীকরণটা পরিষ্কার—সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে হলে রবিবার ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতেই হবে।


ভারতীয় ক্রিকেট মহলে এই ম্যাচকে ঘিরে এখন থেকেই ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’-এর আবহ। আর এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের চব্বিশ ঘণ্টা আগে কলকাতার জাগ্রত দেবী মা কালীর আশীর্বাদ নিলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর।

​শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ কলকাতায় পা রাখে টিম ইন্ডিয়া। পরিকল্পনা ছিল সেদিনই কালীঘাটে যাওয়ার, কিন্তু সূচি পরিবর্তনের কারণে তা সম্ভব হয়নি। ফলে শনিবার সকালে আর দেরি করেননি গম্ভীর। সাতসকালেই পৌঁছে যান কালীঘাট মন্দিরে। নিষ্ঠা ভরে পুজো দিয়ে দলের মঙ্গলকামনা করেন তিনি।

​প্রসঙ্গত, গৌতম গম্ভীরের কাছে এটি নতুন কিছু নয়। আইপিএল-এর সময় কেকেআর মেন্টর হিসেবে যখনই কলকাতায় এসেছেন, নিয়ম করে কালীঘাটে পুজো দিয়েছেন। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের সময়ও তাঁকে মন্দিরে দেখা গিয়েছিল। বরাবরই তিনি বিশ্বাস করেন, মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আধ্যাত্মিক শক্তিও মানসিক দৃঢ়তা জোগায়। রবিবাসরীয় ইডেনে মরণ-বাঁচন ম্যাচের আগে গম্ভীরের এই মন্দির দর্শন কি ভাগ্য ফেরাতে পারবে টিম ইন্ডিয়ার? এখন সেদিকেই তাকিয়ে আপামর ক্রিকেট প্রেমীরা।



শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বনগাঁ ও ঠাকুরনগরে ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্প! আতঙ্কিত স্কুল পড়ুয়ারা।

 নিজস্ব প্রতিনিধি, বনগাঁ: উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ মহকুমা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুভূত হলো মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প। শুক্রবার দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ আচমকা এই কম্পনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা ও ওপার বাংলার সাতক্ষীরা জেলায় এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৯।

সবচেয়ে বেশি আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় ঠাকুরনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে। দুপুরবেলা যখন পুরোদমে ক্লাস চলছিল, সেই সময় হঠাৎই স্কুল ভবন কাঁপতে শুরু করে। ভূমিকম্প টের পাওয়া মাত্রই ক্লাসরুমের ভেতর হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। তবে শিক্ষকদের তৎপরতায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। টিফিনের ঘণ্টা বাজার আগেই তড়িঘড়ি সমস্ত পড়ুয়াকে ক্লাসরুম থেকে বের করে স্কুলের খোলা মাঠে নিয়ে আসা হয়। দীর্ঘক্ষণ আতঙ্কে মাঠে দাঁড়িয়ে থাকে ছাত্রছাত্রীরা।বনগাঁ ও সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় কম্পন বেশ জোরালো অনুভূত হলেও, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এখনো পর্যন্ত কোথাও কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর মেলেনি। তবে সীমান্ত সংলগ্ন পুরনো বাড়িগুলোতে কোনো ফাটল ধরেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এক নজরে আজকের ভূমিকম্প:

সময়: দুপুর ১টা ২২ মিনিট।মাত্রা: ৪.৯ (রিখটার স্কেল)।উৎসস্থল: বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা (ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন)।

প্রভাবিত এলাকা: বনগাঁ, ঠাকুরনগর, গাইঘাটা এবং ওপার বাংলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল।

বিকেলের দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে পরবর্তী কম্পন বা 'আফটার শক' নিয়ে চাপা উদ্বেগ রয়ে গেছে।

Video Link --- 


DINKAAL INDIA-র পর্দায় খবরের আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ভোট ঘোষণার আগেই পানিহাটিতে ‘গৃহ সম্পর্ক’ অভিযানে সুকান্ত মজুমদার! ঘরের দুয়ারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে পেয়ে অভাব-অভিযোগের পাহাড় বাসিন্দাদের।

ভোটের দামামা বাজার আগেই জনসংযোগে জোর দিল বিজেপি। আজ হঠাৎই উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে ‘দুয়ারে’ পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে ঘরের দরজায় পেয়ে একদিকে যেমন অবাক বাসিন্দারা, তেমনই নারী সুরক্ষা থেকে শুরু করে কর্মসংস্থান— একগুচ্ছ অভাব-অভিযোগ উগড়ে দিলেন তারা। যদিও বিজেপির এই কর্মসূচিকে বিন্দুমাত্র আমল দিতে নারাজ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।


বুধবার সকালে পানিহাটির ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের অলিগলিতে ঘুরতে দেখা গেল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে। কোনো রাজনৈতিক সভা নয়, সরাসরি মানুষের ঘরের দরজায় কড়া নাড়লেন তিনি। সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে বোঝার চেষ্টা করলেন এলাকার নাড়ির স্পন্দন।

স্থানীয় বাসিন্দারা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে কাছে পেয়েই নিজেদের ক্ষোভ ও দাবীর কথা জানান। কেউ চাইলেন কাজের সুযোগ, কেউ আবার সরব হলেন নারী সুরক্ষা নিয়ে। এলাকার মহিলারা স্পষ্ট জানান, তারা পরিবর্তন চান যাতে এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় থাকে। অন্যদিকে, অনেকে আবার ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে চাননি।

ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই এই ধরণের ‘গৃহ সম্পর্ক’ অভিযান যে ভোটারদের মন বুঝতেই করা হচ্ছে, তা গোপন রাখেননি সুকান্ত মজুমদার নিজেও। তিনি মন দিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই জনসংযোগকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি পানিহাটির তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের দাবি, ভোটের আগে এসব নাটক করে কোনো লাভ হবে না। পানিহাটির মানুষ উন্নয়নের পাশেই আছেন।

বিজেপির এই জনসংযোগ ভোটবাক্সে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার।

"প্রতি মুহূর্তের টাটকা খবর এবং সঠিক বিশ্লেষণ পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল DINKAAL INDIA। 


ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক করুন এবং শেয়ার করে পৌঁছে দিন সবার কাছে। ধন্যবাদ।"

সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

রানাঘাটে বিজেপি যুব মোর্চার ‘যুব আড্ডা’: চপ-মুড়ি বিক্রি করে রাজ্য সরকারকে অভিনব প্রতিবাদ

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: রাজনৈতিক সভার চেনা ছবি বদলে দিয়ে এক অভিনব প্রতিবাদী কর্মসূচির সাক্ষী থাকল রানাঘাট। রবিবার সন্ধ্যায় রানাঘাট ছোটবাজার মোড়ে বিজেপি যুব মোর্চার পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয়েছিল একটি বিশেষ ‘যুব আড্ডা’। তবে এই আড্ডা শুধু আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না; সেখানে রীতিমতো স্টল সাজিয়ে চপ, ঘুগনি, মুড়ি ও চা বিক্রি করে অভিনব প্রতিবাদ জানালেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।



রাজ্যে ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব এবং বর্তমান রাজ্য সরকারের কর্মসংস্থান নীতির সমালোচনা করতেই এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল বলে আয়োজকদের দাবি। সভায় উপস্থিত নেতৃত্ব প্রতীকীভাবে চপ ভাজা এবং চা পরিবেশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে বর্তমান পরিস্থিতির বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন।


এই কর্মসূচিতে প্রধান বক্তা ও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

 * অর্চনা মজুমদার: রাজ্য বিজেপি মহিলা কমিশনের সদস্য।

 * পার্থ সারথি চট্টোপাধ্যায়: রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম বিধানসভার বিধায়ক।

 * এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিজেপি ও যুব মোর্চার একঝাঁক নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দ।


এদিনের সভায় বিধায়ক পার্থ সারথি চট্টোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, রাজ্যে শিক্ষিত যুবসমাজের জন্য প্রকৃত কর্মসংস্থান নেই, তার বদলে 'চপ শিল্প' বা ছোটখাটো কাজের দোহাই দিয়ে যুবকদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। অর্চনা মজুমদারও তাঁর বক্তব্যে নারী নিরাপত্তা ও রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে সোচ্চার হন।


রবিবার সন্ধ্যার এই আড্ডায় সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। মুড়ি-ঘুগনি খেতে খেতে রাজনৈতিক আলোচনা শোনার এই নতুন ধরনটি পথচলতি মানুষের মধ্যেও বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করে। বিজেপি যুব মোর্চার নেতৃত্বের দাবি, আগামী দিনে এই ধরণের জনসংযোগমূলক কর্মসূচি জেলার অন্যান্য প্রান্তেও ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

Video Link ---- 


রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গাইঘাটায় পুলিশের হানা: বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদসহ গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিনিধি, গাইঘাটা: এলাকায় অবৈধ মদের কারবার রুখতে বড়সড় সাফল্য পেল গাইঘাটা থানার পুলিশ। শনিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ দেশি মদ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তির নাম জগদীশ দাস (৩৭)। শনিবার রাতে গাইঘাটার গোপালপুর খেলার মাঠ এলাকায় পুলিশ অতর্কিতে হানা দেয়। সেখান থেকেই জগদীশকে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ২২ বোতল (প্রতিটি ৬০০ মিলি) দেশি মদ উদ্ধার হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে খবর, দীর্ঘ দিন ধরেই পুলিশের নজর এড়িয়ে এলাকায় এই বেআইনি কারবার চালিয়ে আসছিলেন জগদীশ। তবে শেষ রক্ষা হলো না। গোপন খবরের ভিত্তিতে শনিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।রবিবার ধৃত ব্যক্তিকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে গাইঘাটা থানার পুলিশ।

পাইপলাইনের কাজে বেহাল রাস্তা: প্রশাসনের উদাসীনতায় যশোর রোড অবরোধ করে বিক্ষোভে ফুঁসছে চাঁদপাড়া

 নিজস্ব প্রতিনিধি, গাইঘাটা: পাইপলাইনের কাজের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি হয়েছিল বেশ কিছুকাল আগে। কাজ মিটলেও রাস্তা আর সারানো হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে নরকযন্ত্রণা সহ্য করার পর অবশেষে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল গ্রামবাসীদের। রাস্তা সংস্কারের দাবিতে রবিবার গাইঘাটার চাঁদপাড়া সানাপাড়া এলাকায় যশোর রোড অবরোধ করে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


স্থানীয়দের অভিযোগ, পাইপলাইনের কাজের পর দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও রাস্তাটি মেরামতি করা হয়নি। বর্তমানে রাস্তাটি কার্যত চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বড় বড় গর্ত আর ধুলো-বালির জেরে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় সাধারণ মানুষের।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত: নিত্যযাত্রী, স্কুলপড়ুয়া এবং মুমূর্ষু রোগীরা।

ভাঙাচোরা রাস্তায় মাঝেমধ্যেই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। বিশেষ করে টোটো বা রিকশা নিয়ে যাতায়াত করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


এদিন সকাল থেকেই সানাপাড়া এলাকায় যশোর রোডের ওপর বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন কয়েকশ গ্রামবাসী। এর ফলে উত্তর ২৪ পরগনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই লাইফলাইনে যান চলাচল পুরোপুরি থমকে যায়। রাস্তার দুপাশে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের দাবি, "বারবার প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। শুধু প্রতিশ্রুতি মিলেছে, কাজ হয়নি।"

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন তাঁরা। দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত রাস্তা সংস্কারের লিখিত আশ্বাস মেলায় কয়েক ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা। এর পরেই পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় এবং যান চলাচল শুরু হয়।


দর্শক বন্ধু নানা ধরনের খবরের আপডেট পেতে আমাদের দিনকাল ইন্ডিয়া চ্যানেলটি সাবসক্রাইব করে রাখুন