অনুসরণকারী/follow

SOCIAL MEDIA

Translate

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চাষের জমিতে যাত্রীবাহী বাস, বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা

 নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চাষের জমিতে যাত্রীবাহী বাস, বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা


​নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: মঙ্গলবার সকালে মেদিনীপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়ল সাঁকরাইল থানার রগড়া এলাকায়। যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে চাষের জমিতে ঢুকে পড়ে। অল্পের জন্য বড়সড় বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন বাসে থাকা যাত্রীরা। ঘটনায় বাসের খালাসি আহত হলেও কোনো প্রাণহানির খবর নেই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে রগড়া থেকে মেদিনীপুর যাওয়ার উদ্দেশ্যে 'সম্রাট' নামের একটি যাত্রীবাহী বাস রওনা দেয়। রগড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে ছাড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বাসটির স্টিয়ারিংয়ে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। চালক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার চেষ্টা করলেও বাসটি রাস্তা থেকে ছিটকে পাশের একটি ধান খেতে নেমে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ওই জমিতে ধান চাষ চলছে এবং বৃষ্টির কারণে মাটি বেশ নরম ছিল। জমিতে চাকা বসে যাওয়ায় বাসটি উল্টে না গিয়ে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে। মূলত মাটির এই নরম অবস্থার কারণেই এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন বাসের কয়েক ডজন যাত্রী। কোনো যাত্রীর আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

​এই দুর্ঘটনায় বাসের খালাসি শংকর পাত্র গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সাঁকরাইল থানার পুলিশ। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিকে উদ্ধার করতে ক্রেন আনা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, স্টিয়ারিং লক হয়ে যাওয়ার কারণেই এই বিপত্তি ঘটেছে। দুর্ঘটনার জেরে এলাকায় কিছুক্ষণের জন্য চাঞ্চল্য ছড়ালেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।




পুলিশকে ঘরে বন্দি করার দুঃসাহস! সিউড়িতে ধৃত ৬, উত্তপ্ত এলাকা

নিজস্ব সংবাদদাতা, সিউড়ি: আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে চরম হেনস্থার মুখে পড়ল পুলিশ। অভিযুক্তের পরিবারের হাতে পুলিশ কর্মীদের বন্দি হওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের সিউড়ি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।


পুলিশ সূত্রে খবর, একটি পুরনো মামলায় সিউড়ি ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাতিম শাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় সিউড়ি থানার পুলিশ অভিযুক্তকে ধরতে তার বাড়িতে অভিযানে যায়। তল্লাশি চালানোর সময় পুলিশ কর্মীরা বাড়ির দোতলায় উঠতেই সুযোগ বুঝে হাতিম শাহর পরিবারের সদস্যরা বাইরে থেকে দরজা আটকে দেয়। দীর্ঘক্ষণ পুলিশ কর্মীদের ঘরের ভেতর বন্দি করে রাখা হয় বলে অভিযোগ।

​ঘটনার খবর থানায় পৌঁছাতেই সিউড়ি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা গিয়ে আটকে পড়া পুলিশ কর্মীদের উদ্ধার করে। কর্তব্যে বাধা দেওয়া এবং পুলিশকে বন্দি করার অপরাধে রাতেই অভিযান চালিয়ে পরিবারের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্ত হাতিম শাহর বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত চলছে।

​পুলিশের ওপর এই হামলার ঘটনায় সিউড়ি জুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ধৃত ৬ জনকে আজই সিউড়ি আদালতে তোলা হবে। ঘটনার পেছনে আর কারা জড়িত এবং কেন এই ধরণের দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেওয়া হলো, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

ভিডিও লিংক --- 


বনগাঁ স্টেশনে পুলিশের অভিযান: ৯টি চোরাই মোবাইলসহ গ্রেপ্তার ঝাড়খণ্ডের ২ যুবক

নিজস্ব প্রতিনিধি, বনগাঁ: গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বড়সড় সাফল্য পেল বনগাঁ থানার পুলিশ। মঙ্গলবার বনগাঁ স্টেশন চত্বরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে নয়টি দামী মোবাইল ফোনসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম শ্যাম কুমার রাম (২৭) এবং করণ কুমার মাহাতো (২১)। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত দুই যুবকই ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা।বনগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বা ‘বড়বাবু’র নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল এদিন স্টেশনে হানা দেয়। সন্দেহভাজন হিসেবে ওই দুই যুবককে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে ৯টি দামী স্মার্টফোন উদ্ধার হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ফোনগুলোর কোনো বৈধ কাগজপত্র বা বিল দেখাতে পারেনি তারা।


​পুলিশি জেরার মুখে ধৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা মূলত বিভিন্ন ট্রেন থেকে যাত্রীদের মোবাইল ফোন চুরি করত। ঝাড়খণ্ড থেকে এসে সীমান্তবর্তী এই এলাকায় চোরাই মোবাইল বিক্রির উদ্দেশ্যে তারা জমায়েত হয়েছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে। একটি বড়সড় মোবাইল পাচার চক্রের সাথে তারা যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার গভীরে পৌঁছাতে এবং এই চক্রের সাথে আর কারা জড়িত তা জানতে ধৃতদের ৫ দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে আগামীকাল বনগাঁ মহকুমা আদালতে পাঠানো হবে।

সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

উত্তপ্ত ব্যারাকপুর: আদালত চত্বরে তুলকালাম, অর্জুন সিং-এর নেতৃত্বে বিজেপির বিক্ষোভ।

 উত্তর ব্যারাকপুর পৌরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৮১ বছর বয়সী বৃদ্ধা তুলসী অধিকারীকে মারধর ও তার জেরে মৃত্যুর ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়াল ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে আজ ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে পেশ করল পুলিশ।


​গতকাল এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্ত রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে নিয়ে অস্বস্তিতে পড়ে শাসকদলও। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে ৬ বছরের জন্য দল থেকে বহিষ্কার (সাসপেন্ড) করা হয়েছে। ব্যারাকপুর থানা প্রথমে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গ্রেফতার করে।

​আজ পুলিশ কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অভিযুক্তকে আদালতে তোলে। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার মোট চারটি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে:

১০৩(১): খুনের ধারা (জামিন অযোগ্য)।

১১৫(২), ১২৬(২), এবং ৩৫১(২): অন্যান্য অপরাধমূলক ধারা।

​এদিন অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে ব্যারাকপুর চিড়িয়া মোড়ে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করেন ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং। বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে দিতে আদালতের দিকে এগোতে থাকলে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি বাধে। এর ফলে সাময়িকভাবে রাস্তা অবরোধ হলেও পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিজেপি কর্মীদের সরিয়ে দেওয়া হয়।

​বিজেপির অভিযোগ, বৃদ্ধা খুনের নেপথ্যে থাকা অপরাধীদের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যদিকে, পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

ভিডিও লিংক ------


রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রসেনজিতের বাড়ি গিয়ে রামমূর্তি উপহার সুকান্তর, ভোটের আগে বাড়ছে জল্পনা

শনিবার সকাল সকালই সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়ের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও প্রাক্তন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেতা ও অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষও। 


আর সে খবর ছড়িয়ে পড়তেই টলিউডে শোরগোল। তাহলে কী ভোটের আগে প্রসেনজিৎকে ঘিরে নতুন কোনও সমীকরণ দেখতে চলেছে টলিপাড়া? এই উত্তর পাওয়া না গেলেও, জানা গিয়েছে, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে সুকান্ত মজুমদারের শনিবারের এই সাক্ষাৎ ছিল একেবারেই সৌজন্যমূলক। বরং অভিনেতা পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ায়, প্রসেনজিৎকে শুভেচ্ছা জানাতেই তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন সুকান্ত ও রুদ্রনীলরা।এদিন প্রসেনজিতের হাতে একটি রামলালার মূতি তুলে দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, বেশ কিছুক্ষণ প্রসেনজিতের বাড়িতে ছিলেন সুকান্ত ও রুদ্রনীল। সিনেমা জগত, অভিনয় নিয়ে মূলত তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হালকা মেজাজেই উঠে এসেছে রাজ্য ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কথাও।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগে টলিউডের প্রবীণ অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের বাড়িতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিনেতার বাড়িতে গিয়ে তৃণমূলের উন্নয়নের পাঁচালী শুনিয়েছিলেন। আর এবার প্রসেনজিতের বাড়িতে সুকান্তের যাওয়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।টলিউডের বুম্বাদার বাড়িতে থেকে বেরিয়ে সুকান্ত জানালেন, ”এই সাক্ষাৎ একেবারেই রাজনৈতিক নয়। সব কিছুর পিছনে রাজনীতি না খোঁজাই ভালো। শিক্ষা, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে নিয়ে রাজনীতি না করাই ভালো। পদ্মশ্রী পাওয়ার জন্য প্রসেনজিৎকে সংবর্ধনা জানাতেই এসেছিলাম। সিনেমা হলেও তাঁর নতুন ছবি দারুণ ব্যবসা করছে। উত্তরোত্তর তাঁর শ্রীবৃদ্ধি হোক।” 

ভিডিও লিংক - 


শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আনন্দপুরের ছায়া মহেশতলায়? অগ্নিকাণ্ড রুখতে নুঙ্গির বাজি বাজারে প্রশাসনের মেগা তল্লাশি

 আনন্দপুরের ছায়া মহেশতলায়? অগ্নিকাণ্ড রুখতে নুঙ্গির বাজি বাজারে প্রশাসনের মেগা তল্লাশি

নিজস্ব প্রতিনিধি, মহেশতলা: আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আর তার পরবর্তী বীভৎস মৃত্যুমিছিল দেখেছে গোটা রাজ্য। গোডাউনের আগুনে পুড়ে খাক হয়ে যাওয়া শ্রমিকদের দেহাংশ উদ্ধারের সেই স্মৃতি এখনও টাটকা। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে এবার কোমর বেঁধে ময়দানে নামল প্রশাসন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাজি শিল্পের প্রাণকেন্দ্র মহেশতলার নুঙ্গিতে চলল ব্যাপক প্রশাসনিক পরিদর্শন।

ভিডিও লিংক -- 



মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫

কলকাতার বুকে মিনি বিহার! নিউটাউন ঘাটে ছট মাইয়ার আরাধনা, যা আপনি আগে দেখেননি

 শহরের অন্যতম আধুনিক এলাকা নিউটাউনের  বিসর্জন ঘাট  আজ সকালে এক পবিত্র তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। কার্তিক শুক্লপক্ষের এই মহাপর্বে, উদীয়মান সূর্যদেবকে অর্ঘ্য নিবেদনের  মাধ্যমে চার দিনব্যাপী ছট পূজার সমাপ্তি ঘটল। কলকাতা শহরের প্রবাসী বিহারী ও উত্তর ভারতীয়  সম্প্রদায়ের মানুষেরা ভক্তি ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই কঠিন ব্রত পালন করলেন।

​দীর্ঘ ৩৬ ঘণ্টা ধরে কঠোর নির্জলা উপবাসের পর, আজ ভোরে বিসর্জন ঘাটের জলে পুণ্যার্থীরা কোমর পর্যন্ত নেমে সূর্যদেবের উদ্দেশে প্রার্থনা শুরু করেন। সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে কুলো ও ডালায় সাজানো নানা ধরনের ফল, আখ, ঠেকুয়া ও নাড়ু দিয়ে অর্ঘ্য নিবেদন করা হয়। এই দৃশ্য নিউটাউনের আধুনিক আবহের সঙ্গে প্রাচীন ঐতিহ্যের এক সুন্দর মেলবন্ধন ঘটায়।

​সন্তান ও পরিবারের সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় মহিলারা এই ব্রত পালন করেন। বহু পুরুষ ভক্তকেও দেখা যায় নিষ্ঠার সঙ্গে এই সূর্য আরাধনায় অংশ নিতে।

​নিউটাউনের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এই বিশাল জনসমাগমকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্য ঘাট চত্বরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, পানীয় জল এবং অস্থায়ী পোশাক পরিবর্তনের স্থানের ব্যবস্থা করে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীরাও সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে, পরিবেশ দূষণ এড়াতে ঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়েও বিশেষ নজর দেওয়া হয়।

​বিহার, ঝাড়খণ্ড ও উত্তর প্রদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব ছট পূজা এখন কলকাতার প্রতিটি প্রান্তেই এক বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে। নিউটাউনের এই বিসর্জন ঘাটে সমবেত পুণ্যার্থীদের 'জয় ছঠি মাঈ' এবং 'জয় সূর্যদেব'-এর সম্মিলিত জয়ধ্বনি, এই মহান উৎসবের ভক্তিপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ সমাপ্তির বার্তা বহন করে। এই উৎসব শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতিতে প্রবাসী সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য ও নিষ্ঠার এক শক্তিশালী সংযোগসূত্র।




 #dinkaalindia #ChhathPuja#ChhathMahaparv #SuryaDeva #chhathimaiya2025 #KolkataChhath #NewTownKolkata #BisarjanGhat #BiharFestival #IndianTradition #HinduFestival

রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫

অপরাজিতা নারী সন্মান ২০২৫: সৃজনশীলতা ও ফ্যাশনের মেলবন্ধনে ৪৩ জন নারীকে সন্মাননা প্রদান

 


অপরাজিতা নারী সন্মান ২০২৫: সৃজনশীলতা ও ফ্যাশনের মেলবন্ধনে ৪৩ জন নারীকে সন্মাননা প্রদান
নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়া
কলকাতা, নিউটাউন: গত শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতার নিউটাউনের বৃন্দাবন ব্যাংকওয়েট হলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো 'নদীয়া: অপরাজিতা নারী সন্মান ২০২৫'। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ৪৩ জন নারীকে এই বিশেষ সন্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানটির মূল আকর্ষণ ছিল শারদ উৎসবকে কেন্দ্র করে এক মন মুগ্ধকর সৃজনশীল নৃত্য পরিবেশনা। এছাড়াও, নামকরা ফ্যাশন ডিজাইনারদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় জমজমাট এক ফ্যাশন শো।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার পায়েল দেবনাথ তাঁর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, "এই ধরনের একটি মহৎ অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। নারীদের সন্মান জানানোর এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।"
'অপরাজিতা নারী সন্মান' প্রদান করা হয় মোট ৪৩ জন কৃতী নারীকে, যাঁরা নিজেদের কর্মক্ষেত্রে দৃঢ়তা ও সাফল্যের পরিচয় দিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অল বেঙ্গল মেনস ফোরামের সভাপতি নন্দিনী ভট্টাচার্য, মন্দার ঘোষ, মল্লিকা ঘোষ সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা। তাঁরা এই বিশেষ উদ্যোগের সার্থকতা নিয়ে নিজেদের বক্তব্য রাখেন। বক্তারা জানান, সমাজে মহিলাদের অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি এবং তাঁদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই এই 'অপরাজিতা নারী সন্মান' অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
সার্বিক দিক থেকে দেখতে গেলে, সন্মাননা প্রদান, সৃজনশীল নৃত্য এবং ফ্যাশন শো-এর মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানটি মহিলাদের শক্তি ও সাফল্যকে তুলে ধরল এক অন্য আঙ্গিকে।

#dinkaalindia #AparajitaNariSamman2025
#WomensHonor
#KolkataEvent
#Newtown
#EmpoweringWomen
#FashionShow
#CreativeDance
#NariShakti
#AwardCeremony
#43Honorees
#PayelDebnathFashion
#ShardaUtsav

শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫

অভিনব 'ভাইফোঁটা' - ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে বাঁধলেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা

রানাঘাট (নদিয়া): বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবগুলির মধ্যে অন্যতম 'ভাইফোঁটা'-কে এক বিশেষ সাংগঠনিক রূপ দিয়ে তাক লাগিয়ে দিল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা মহিলা মোর্চা। 


বৃহস্পতিবার, রানাঘাট জেলা পার্টি অফিসে এক অভিনব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দলের সাংসদ থেকে শুরু করে স্থানীয় নেতৃত্ব ও সাধারণ কর্মীরা একসঙ্গে বসে এই উৎসবে সামিল হলেন।

নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা মহিলা মোর্চার পক্ষ থেকে এই 'ভ্রাতৃত্বের বন্ধন' অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় রানাঘাট জেলা কার্যালয়ে। মহিলা মোর্চার সকল পদাধিকারী ও কার্যকর্তারা নিজ হাতে নদিয়া দক্ষিণ জেলার সকল 'দাদা-ভাই'দের কপালে ফোঁটা দিয়ে দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

এই সম্মিলিত উদযাপনের মূল আকর্ষণ ছিল, দলের সাংসদ এবং সাধারণ কর্মীদের এক মঞ্চে এনে উৎসবের মাধ্যমে সাংগঠনিক ঐক্যকে তুলে ধরা।

এই বিশেষ দিনে ফোঁটা নিতে উপস্থিত ছিলেন রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার। সাংসদ ছাড়াও স্থানীয় ও জেলা নেতৃত্ব সহ অসংখ্য কর্মী-সমর্থক এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সাংসদ জগন্নাথ সরকার উৎসবের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে জানান, এই ধরনের অনুষ্ঠান কর্মীদের মধ্যেকার আন্তরিকতা এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও মজবুত করে। তিনি বলেন,

"রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে এই পারিবারিক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে সকলে যোগ দিয়েছি। এই বন্ধন শুধু উৎসবের নয়, এ হল দলের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং একাত্মতার বন্ধন।

মহিলা মোর্চার এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, উৎসবের আবহেও দল তার সাংগঠনিক বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। মহিলা মোর্চার নেত্রীরা জানান, তাঁদের এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল দলের মধ্যে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে পারস্পরিক সম্মান ও ভালোবাসা বৃদ্ধি করা, যা ভবিষ্যতে দলকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।

সামাজিক উৎসবকে কেন্দ্র করে এহেন রাজনৈতিক উদ্যোগ নদিয়ার রাজনৈতিক মহলে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

#dinkaalindia #BJP

#MahilaMorcha

#OrganizationalUnity

#PartyOffice

#JagannathSarkar

#PoliticalBond

​#BhaiPhontaCelebration #dinkaalindiatv 

​#Nadia

​#Ranaghat

​#FestiveVibes

​#BrothersDay

​#SisterlyLove


বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫

সৃষ্টি শহর ইছাপুর'-এর অভিনব উদ্যোগ: ইছাপুরের গঙ্গার ধারে গাছের কপালে পড়ল ভাইফোঁটা!

 ভাইফোঁটার শুভ দিনে ‘গাছফোঁটা’! ইছাপুরের গঙ্গার ধারে গাছকে ফোঁটা দিয়ে প্রকৃতির দীর্ঘায়ু কামনা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার

নিজস্ব প্রতিনিধি, ইছাপুর:

ভাই-বোনের মধুর সম্পর্কের দিন ভাইফোঁটা। এই শুভ দিনে ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দিয়ে দীর্ঘায়ু কামনা করলেন বোনেরা। কিন্তু এই চিরায়ত প্রথার পাশাপাশি, আজ ইছাপুরের গঙ্গার ধারে এক অন্যরকম মাধুর্যময় দৃশ্যের সৃষ্টি হলো। 'সৃষ্টি শহর ইছাপুর' নামক এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তাদের অভিনব উদ্যোগে গাছকে ফোঁটা দিয়ে তাদের দীর্ঘায়ু ও সুস্থ জীবন কামনা করলেন।

ভাইফোঁটার মতোই একই আন্তরিকতায় সংস্থার বোনেরা চন্দন, কাজলের ফোঁটা এবং ধান-দূর্বা দিয়ে গাছকে বরণ করে নিলেন। উদ্দেশ্য একটাই— গাছকে প্রকৃতির ভাই হিসেবে সম্মান জানানো এবং পরিবেশের প্রতি মানুষের কর্তব্য স্মরণ করানো।


সংস্থার সদস্যেরা জানান, পৃথিবী জুড়ে প্রাকৃতিক



ভারসাম্য বজায় রাখতে গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। গাছ কেবল পরিবেশের জন্যই জরুরি নয়, মানুষের জীবনধারণের জন্যও তা মহামূল্যবান। গাছ যতদিন থাকবে, সুস্থ থাকবে, ততদিনই মানবজাতির অস্তিত্ব সুরক্ষিত থাকবে। তাই ভাইফোঁটার দিনে যেমন ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়, তেমনই গাছেরও দীর্ঘ জীবনের জন্য এই প্রার্থনা।

'সৃষ্টি শহর ইছাপুর' এই অভিনব প্রচেষ্টার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে একটি জোরালো আবেদন রেখেছে— গাছপালা যেন বেশি করে রোপণ করা হয় এবং প্রকৃতিকে রক্ষা করতে গাছ কাটা বন্ধ করা হয়। পরিবেশের এই অমূল্য সম্পদকে রক্ষা করার মাধ্যমেই প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব।

সংস্থার এই ব্যতিক্রমী ভাবনা উপস্থিত সকলের মনে গভীরভাবে দাগ কেটেছে। ভাইফোঁটার পবিত্র দিনে 'গাছফোঁটা'-র এই বার্তা নিঃসন্দেহে পরিবেশ সচেতনতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল।

#dinkaalindia #TreePhota

#BhaiPhotaSpecial

#NatureBonds

#SaveTreesSaveLife

#IchapurInitiative

#SrishtiShohorIchapur

#EnvironmentalAwareness

#EcoFriendlyFestival

#GreenIchapur

#NGOActivity

#RakshaBandhanForNature