অনুসরণকারী/follow

SOCIAL MEDIA

Translate

সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬

বনগাঁ হেড পোস্ট অফিসে আরডিএক্স হামলার হুমকি! হুলস্থুল পড়ে গেল পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে

বনগাঁ: বৃহস্পতিবারের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের আতঙ্ক। এবার টার্গেট বনগাঁ হেড পোস্ট অফিসের পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র। শুক্রবার বেলা ১১টা নাগাদ একটি উড়ো মেইল আসে পোস্ট অফিসের আধিকারিকদের কাছে। যেখানে সাফ জানানো হয়, বেলা ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ আরডিএক্স (RDX) দিয়ে পুরো অফিস উড়িয়ে দেওয়া হবে।

মেইলটিতে দাবি করা হয়েছে, জনৈক জিহাদি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই হুমকি পাঠানো হয়েছে। সেখানে লেখা ছিল, "শুক্রবারই আসল জিহাদ, ১১টার মধ্যে অফিস খালি করুন।" মেইলটি দেখামাত্রই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। কালবিলম্ব না করে তৎক্ষণাৎ অফিস খালি করে বাইরে বেরিয়ে আসেন কর্মী ও সাধারণ মানুষ।

বনগাঁ হেড পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টার জানিয়েছেন, "মেইলটি পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা পুলিশকে খবর দিই এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ভবন খালি করার নির্দেশ দিই।" বর্তমানে পুলিশ ও প্রশাসন গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে। তল্লাশি চালানো হচ্ছে প্রতিটি কোণায়। তবে বারবার এই ধরণের হুমকিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

বনগাঁ পোস্ট অফিসের ঘটনা কি বড় কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ? 

আপনাদের মতামত কমেন্টে জানান। পরবর্তী আপডেট পাওয়া মাত্রই আমরা আপনাদের জানাব। আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এক্ষুনি সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকনটি প্রেস করে রাখুন। সতর্ক থাকুন, আমাদের সাথেই থাকুন

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ইডেনে ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’ লড়াই, জয়ের লক্ষ্যে মা কালীর শরণে গৌতম গম্ভীর

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সমীকরণটা পরিষ্কার—সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে হলে রবিবার ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতেই হবে।


ভারতীয় ক্রিকেট মহলে এই ম্যাচকে ঘিরে এখন থেকেই ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’-এর আবহ। আর এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের চব্বিশ ঘণ্টা আগে কলকাতার জাগ্রত দেবী মা কালীর আশীর্বাদ নিলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর।

​শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ কলকাতায় পা রাখে টিম ইন্ডিয়া। পরিকল্পনা ছিল সেদিনই কালীঘাটে যাওয়ার, কিন্তু সূচি পরিবর্তনের কারণে তা সম্ভব হয়নি। ফলে শনিবার সকালে আর দেরি করেননি গম্ভীর। সাতসকালেই পৌঁছে যান কালীঘাট মন্দিরে। নিষ্ঠা ভরে পুজো দিয়ে দলের মঙ্গলকামনা করেন তিনি।

​প্রসঙ্গত, গৌতম গম্ভীরের কাছে এটি নতুন কিছু নয়। আইপিএল-এর সময় কেকেআর মেন্টর হিসেবে যখনই কলকাতায় এসেছেন, নিয়ম করে কালীঘাটে পুজো দিয়েছেন। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের সময়ও তাঁকে মন্দিরে দেখা গিয়েছিল। বরাবরই তিনি বিশ্বাস করেন, মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আধ্যাত্মিক শক্তিও মানসিক দৃঢ়তা জোগায়। রবিবাসরীয় ইডেনে মরণ-বাঁচন ম্যাচের আগে গম্ভীরের এই মন্দির দর্শন কি ভাগ্য ফেরাতে পারবে টিম ইন্ডিয়ার? এখন সেদিকেই তাকিয়ে আপামর ক্রিকেট প্রেমীরা।



শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বনগাঁ ও ঠাকুরনগরে ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্প! আতঙ্কিত স্কুল পড়ুয়ারা।

 নিজস্ব প্রতিনিধি, বনগাঁ: উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ মহকুমা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুভূত হলো মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প। শুক্রবার দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ আচমকা এই কম্পনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা ও ওপার বাংলার সাতক্ষীরা জেলায় এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৯।

সবচেয়ে বেশি আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় ঠাকুরনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে। দুপুরবেলা যখন পুরোদমে ক্লাস চলছিল, সেই সময় হঠাৎই স্কুল ভবন কাঁপতে শুরু করে। ভূমিকম্প টের পাওয়া মাত্রই ক্লাসরুমের ভেতর হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। তবে শিক্ষকদের তৎপরতায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। টিফিনের ঘণ্টা বাজার আগেই তড়িঘড়ি সমস্ত পড়ুয়াকে ক্লাসরুম থেকে বের করে স্কুলের খোলা মাঠে নিয়ে আসা হয়। দীর্ঘক্ষণ আতঙ্কে মাঠে দাঁড়িয়ে থাকে ছাত্রছাত্রীরা।বনগাঁ ও সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় কম্পন বেশ জোরালো অনুভূত হলেও, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এখনো পর্যন্ত কোথাও কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর মেলেনি। তবে সীমান্ত সংলগ্ন পুরনো বাড়িগুলোতে কোনো ফাটল ধরেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এক নজরে আজকের ভূমিকম্প:

সময়: দুপুর ১টা ২২ মিনিট।মাত্রা: ৪.৯ (রিখটার স্কেল)।উৎসস্থল: বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা (ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন)।

প্রভাবিত এলাকা: বনগাঁ, ঠাকুরনগর, গাইঘাটা এবং ওপার বাংলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল।

বিকেলের দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে পরবর্তী কম্পন বা 'আফটার শক' নিয়ে চাপা উদ্বেগ রয়ে গেছে।

Video Link --- 


DINKAAL INDIA-র পর্দায় খবরের আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ভোট ঘোষণার আগেই পানিহাটিতে ‘গৃহ সম্পর্ক’ অভিযানে সুকান্ত মজুমদার! ঘরের দুয়ারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে পেয়ে অভাব-অভিযোগের পাহাড় বাসিন্দাদের।

ভোটের দামামা বাজার আগেই জনসংযোগে জোর দিল বিজেপি। আজ হঠাৎই উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে ‘দুয়ারে’ পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে ঘরের দরজায় পেয়ে একদিকে যেমন অবাক বাসিন্দারা, তেমনই নারী সুরক্ষা থেকে শুরু করে কর্মসংস্থান— একগুচ্ছ অভাব-অভিযোগ উগড়ে দিলেন তারা। যদিও বিজেপির এই কর্মসূচিকে বিন্দুমাত্র আমল দিতে নারাজ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।


বুধবার সকালে পানিহাটির ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের অলিগলিতে ঘুরতে দেখা গেল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে। কোনো রাজনৈতিক সভা নয়, সরাসরি মানুষের ঘরের দরজায় কড়া নাড়লেন তিনি। সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে বোঝার চেষ্টা করলেন এলাকার নাড়ির স্পন্দন।

স্থানীয় বাসিন্দারা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে কাছে পেয়েই নিজেদের ক্ষোভ ও দাবীর কথা জানান। কেউ চাইলেন কাজের সুযোগ, কেউ আবার সরব হলেন নারী সুরক্ষা নিয়ে। এলাকার মহিলারা স্পষ্ট জানান, তারা পরিবর্তন চান যাতে এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় থাকে। অন্যদিকে, অনেকে আবার ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে চাননি।

ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই এই ধরণের ‘গৃহ সম্পর্ক’ অভিযান যে ভোটারদের মন বুঝতেই করা হচ্ছে, তা গোপন রাখেননি সুকান্ত মজুমদার নিজেও। তিনি মন দিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই জনসংযোগকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি পানিহাটির তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের দাবি, ভোটের আগে এসব নাটক করে কোনো লাভ হবে না। পানিহাটির মানুষ উন্নয়নের পাশেই আছেন।

বিজেপির এই জনসংযোগ ভোটবাক্সে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার।

"প্রতি মুহূর্তের টাটকা খবর এবং সঠিক বিশ্লেষণ পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল DINKAAL INDIA। 


ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক করুন এবং শেয়ার করে পৌঁছে দিন সবার কাছে। ধন্যবাদ।"

সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

রানাঘাটে বিজেপি যুব মোর্চার ‘যুব আড্ডা’: চপ-মুড়ি বিক্রি করে রাজ্য সরকারকে অভিনব প্রতিবাদ

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: রাজনৈতিক সভার চেনা ছবি বদলে দিয়ে এক অভিনব প্রতিবাদী কর্মসূচির সাক্ষী থাকল রানাঘাট। রবিবার সন্ধ্যায় রানাঘাট ছোটবাজার মোড়ে বিজেপি যুব মোর্চার পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয়েছিল একটি বিশেষ ‘যুব আড্ডা’। তবে এই আড্ডা শুধু আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না; সেখানে রীতিমতো স্টল সাজিয়ে চপ, ঘুগনি, মুড়ি ও চা বিক্রি করে অভিনব প্রতিবাদ জানালেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।



রাজ্যে ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব এবং বর্তমান রাজ্য সরকারের কর্মসংস্থান নীতির সমালোচনা করতেই এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল বলে আয়োজকদের দাবি। সভায় উপস্থিত নেতৃত্ব প্রতীকীভাবে চপ ভাজা এবং চা পরিবেশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে বর্তমান পরিস্থিতির বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন।


এই কর্মসূচিতে প্রধান বক্তা ও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

 * অর্চনা মজুমদার: রাজ্য বিজেপি মহিলা কমিশনের সদস্য।

 * পার্থ সারথি চট্টোপাধ্যায়: রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম বিধানসভার বিধায়ক।

 * এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিজেপি ও যুব মোর্চার একঝাঁক নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দ।


এদিনের সভায় বিধায়ক পার্থ সারথি চট্টোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, রাজ্যে শিক্ষিত যুবসমাজের জন্য প্রকৃত কর্মসংস্থান নেই, তার বদলে 'চপ শিল্প' বা ছোটখাটো কাজের দোহাই দিয়ে যুবকদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। অর্চনা মজুমদারও তাঁর বক্তব্যে নারী নিরাপত্তা ও রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে সোচ্চার হন।


রবিবার সন্ধ্যার এই আড্ডায় সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। মুড়ি-ঘুগনি খেতে খেতে রাজনৈতিক আলোচনা শোনার এই নতুন ধরনটি পথচলতি মানুষের মধ্যেও বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করে। বিজেপি যুব মোর্চার নেতৃত্বের দাবি, আগামী দিনে এই ধরণের জনসংযোগমূলক কর্মসূচি জেলার অন্যান্য প্রান্তেও ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

Video Link ---- 


রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গাইঘাটায় পুলিশের হানা: বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদসহ গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিনিধি, গাইঘাটা: এলাকায় অবৈধ মদের কারবার রুখতে বড়সড় সাফল্য পেল গাইঘাটা থানার পুলিশ। শনিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ দেশি মদ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তির নাম জগদীশ দাস (৩৭)। শনিবার রাতে গাইঘাটার গোপালপুর খেলার মাঠ এলাকায় পুলিশ অতর্কিতে হানা দেয়। সেখান থেকেই জগদীশকে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ২২ বোতল (প্রতিটি ৬০০ মিলি) দেশি মদ উদ্ধার হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে খবর, দীর্ঘ দিন ধরেই পুলিশের নজর এড়িয়ে এলাকায় এই বেআইনি কারবার চালিয়ে আসছিলেন জগদীশ। তবে শেষ রক্ষা হলো না। গোপন খবরের ভিত্তিতে শনিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।রবিবার ধৃত ব্যক্তিকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে গাইঘাটা থানার পুলিশ।

পাইপলাইনের কাজে বেহাল রাস্তা: প্রশাসনের উদাসীনতায় যশোর রোড অবরোধ করে বিক্ষোভে ফুঁসছে চাঁদপাড়া

 নিজস্ব প্রতিনিধি, গাইঘাটা: পাইপলাইনের কাজের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি হয়েছিল বেশ কিছুকাল আগে। কাজ মিটলেও রাস্তা আর সারানো হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে নরকযন্ত্রণা সহ্য করার পর অবশেষে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল গ্রামবাসীদের। রাস্তা সংস্কারের দাবিতে রবিবার গাইঘাটার চাঁদপাড়া সানাপাড়া এলাকায় যশোর রোড অবরোধ করে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


স্থানীয়দের অভিযোগ, পাইপলাইনের কাজের পর দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও রাস্তাটি মেরামতি করা হয়নি। বর্তমানে রাস্তাটি কার্যত চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বড় বড় গর্ত আর ধুলো-বালির জেরে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় সাধারণ মানুষের।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত: নিত্যযাত্রী, স্কুলপড়ুয়া এবং মুমূর্ষু রোগীরা।

ভাঙাচোরা রাস্তায় মাঝেমধ্যেই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। বিশেষ করে টোটো বা রিকশা নিয়ে যাতায়াত করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


এদিন সকাল থেকেই সানাপাড়া এলাকায় যশোর রোডের ওপর বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন কয়েকশ গ্রামবাসী। এর ফলে উত্তর ২৪ পরগনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই লাইফলাইনে যান চলাচল পুরোপুরি থমকে যায়। রাস্তার দুপাশে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের দাবি, "বারবার প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। শুধু প্রতিশ্রুতি মিলেছে, কাজ হয়নি।"

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন তাঁরা। দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত রাস্তা সংস্কারের লিখিত আশ্বাস মেলায় কয়েক ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা। এর পরেই পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় এবং যান চলাচল শুরু হয়।


দর্শক বন্ধু নানা ধরনের খবরের আপডেট পেতে আমাদের দিনকাল ইন্ডিয়া চ্যানেলটি সাবসক্রাইব করে রাখুন 

রাজ্যে অনুপ্রবেশ ও জঙ্গি কার্যকলাপের বাড়বাড়ন্ত, শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ শমীক ভট্টাচার্যের

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্য সরকারকে বেনজির আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় জামাতের উত্থান এবং রাজ্যে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে একগুচ্ছ বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তিনি।


শমীক ভট্টাচার্যের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গ বর্তমানে জঙ্গি কার্যকলাপের 'সেফ জোন' বা নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের উন্মুক্ত অবস্থার সুযোগ নিয়ে অবাধে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটছে। তিনি দাবি করেন, গত সাত বছর ধরে এই রাজ্যে জিহাদি চিন্তাধারার প্রসার ঘটেছে। বিশেষ করে সীমান্ত বরাবর জামাত-উল-মুজাহিদিনের মতো সংগঠনের উত্থান দেশের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। অবিলম্বে এদের কঠোরহস্তে দমন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, গত তিন বছরে রাজ্যে যত রাজনৈতিক খুন হয়েছে, তার ৭৫ শতাংশেরও বেশি নিছক তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল। তাঁর দাবি:গত দুই বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজনৈতিক খুনের ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই তৃণমূল তৃণমূলকে মারছে।বাকি অংশ বিজেপির কর্মীদের ওপর আক্রমণ।তৃণমূলকে 'জীবন্ত জীবাশ্ম' হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, সরকার কার্যত অস্তিত্বহীন।নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "বাংলার লজ্জা যে ভোটের এত আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হচ্ছে। তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গকে এমন এক জায়গায় নিয়ে গেছে যেখানে জেলা জজের তত্ত্বাবধান ছাড়া সুষ্ঠু বিচার বা প্রক্রিয়া সম্ভব হচ্ছে না।"

বিজেপির পক্ষ থেকে তিনি 'No Sir, No Vote' স্লোগানের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। পাশাপাশি, বিজেপির 'ফর্ম সেভেন' (Form 7) যা পুড়িয়ে দেওয়া বা কেড়ে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো পুনরায় পুনরুদ্ধারের ওপর জোর দেন তিনি।

Video Link --- 

 #DINKAALINDIA #SamikBhattacharya #WBNews #PoliticalViolence #BorderSecurity #BJPWestBengal #TMC

নির্বাচনের আগেই তপ্ত বাংলা: কেন্দ্রীয় বাহিনী থেকে সেলিম-মীনাক্ষী, বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, শ্রীরামপুর: লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই নিজের চেনা মেজাজে ধরা দিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থেকে শুরু করে সিপিএম ও আইএসএফ নেতৃত্ব— একাধিক ইস্যুতে বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন তিনি। তাঁর একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্যে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।


নির্বাচন ঘোষণার আগেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি বলেন, “৪৮০ কোম্পানি কেন, ১৪৮০ দিলেও কিছু যায় আসে না। ওদের কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে, কিন্তু আমাদের সঙ্গে ১০ কোটি মানুষ আছে। ভোটটা মানুষ দেবে, কোম্পানির লোক দেবে না।” তাঁর এই মন্তব্যে পরিষ্কার যে, বাহিনীর উপস্থিতিকে আমল না দিয়ে জনসমর্থনের ওপরই বেশি ভরসা রাখছে শাসক দল।

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে নজিরবিহীনভাবে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “সেলিম সিপিএম পার্টিটাকে নষ্ট করেছে। ওর মতো ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অহংকারী মানুষ আমি আগে দেখিনি। যতদিন সেলিমের মতো দাম্ভিক লোক থাকবে, ততদিন সিপিএমের আরও অবক্ষয় হবে।”

পাশাপাশি, তরুণী নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কেও ছেড়ে কথা বলেননি তিনি। উত্তরপাড়া প্রসঙ্গে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে কল্যাণবাবু বলেন, “মীনাক্ষী উত্তরপাড়ায় দাঁড়ালে হারিয়ে ভূত করে ছেড়ে দেব।” তাঁর দাবি, সিপিএমের অন্দরে এখন শুধু মীনাক্ষীকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে দলের বাকি তরুণ নেতৃত্ব অসন্তুষ্ট।

ভাঙড়ের বিধায়ক শওকত মোল্লার ওপর হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (ISF)-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, এই নির্বাচনে আইএসএফ পুরোপুরি “মুছে যাবে”।

অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের রাজনৈতিক কর্মসূচি বা ‘রথযাত্রা’-কেও বিঁধতে ছাড়েননি তিনি। তাঁর মতে, “রথের চাকা যত গড়াবে, বিরোধীদের তত হাজার হাজার ভোট কমবে।” ---

Video Link ---- 



কাজের চাপে দিশেহারা: মাঝগঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা প্রধান শিক্ষকের

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: নির্বাচনী সংশোধনী বা ‘SIR’ (Summary Iterative Revision) কাজের প্রচণ্ড চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন এক প্রধান শিক্ষক। শনিবার চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে টিটাগড় ঘাটে। প্রাণে বেঁচে গেলেও বর্তমানে তিনি বারাকপুর বি.এন. বসু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আক্রান্ত শিক্ষকের নাম মোহাম্মদ কায়ামউদ্দিন। তিনি কাঁচরাপাড়া আর.পি. হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং বারাকপুর পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের আলি হায়দার রোড এলাকার বিএলও (BLO) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। জানা গেছে, আজ ছিল SIR সংশোধনীর শেষ দিন। কাজের পাহাড়প্রমাণ চাপ এবং সময়সীমার বাধ্যবাধকতায় মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন তিনি।

এদিন টিটাগড় ঘাট থেকে একটি নৌকায় ওঠেন কায়ামউদ্দিন সাহেব। নৌকাটি মাঝগঙ্গায় পৌঁছালে তিনি হঠাৎ ঝাঁপ দেন। তবে মাঝিদের তৎপরতা এবং উপস্থিত সাধারণ মানুষের প্রচেষ্টায় তাঁকে তৎক্ষণাৎ উদ্ধার করা সম্ভব হয়। প্রথমে তাঁকে শ্রীরামপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে বারাকপুর বি.এন. বসু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।কায়ামউদ্দিনের স্ত্রী সংবাদমাধ্যমকে জানান, গত কয়েকদিন ধরেই তিনি এই কাজের চাপ নিয়ে প্রচণ্ড মানসিক অস্থিরতায় ভুগছিলেন। বাড়ির লোকেদের সাথেও এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। তিনি অসুস্থ শিক্ষকের খোঁজখবর নেন এবং প্রশাসনিক চাপের তীব্র নিন্দা করেন। বিধায়ক বলেন:

"SIR-এর শেষ মুহূর্তে এসেও কোনো শান্তি নেই। এই শিক্ষককে নানাভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। সেই মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরেই তিনি এমন চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।"

শিক্ষকদের ওপর বিএলও বা অ-শিক্ষকসুলভ কাজের অতিরিক্ত চাপ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরব হয়েছেন বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন। এই ঘটনা সেই ক্ষোভকে আরও উসকে দিল। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন কায়ামউদ্দিন সাহেব। প্রশাসন এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয় কি না, এখন সেটাই দেখার।

Video Link ---