অনুসরণকারী/follow

SOCIAL MEDIA

Translate

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ছায়া: গ্যাস সংকট রুখতে গাইঘাটায় পুলিশের ঝটিকা অভিযান

নিজস্ব প্রতিনিধি, গাইঘাটা: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার পড়তে শুরু করেছে সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার জেরে দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে টান পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর এই সুযোগে একদল অসাধু ব্যবসায়ী যাতে ‘কৃত্রিম সংকট’ তৈরি করে কালোবাজারি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে এবার কোমর বেঁধে নামল প্রশাসন।


বৃহস্পতিবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা থানার আইসি শুভাশিস দত্তের নেতৃত্বে গাইঘাটার আঙ্গ্রাইল এলাকায় একটি H P গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর অফিসে আচমকা হানা দেয় পুলিশ।অভিযান চলাকালীন আইসি শুভাশিস দত্ত ডিস্ট্রিবিউটর অফিসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দিক খতিয়ে দেখেন।বর্তমানে কত পরিমাণ গ্যাস মজুত আছে এবং প্রতিদিন কত বুকিং হচ্ছে, তার সামঞ্জস্য যাচাই করা হয়।কাগজে-কলমে থাকা হিসাবের সঙ্গে গোডাউনের সিলিন্ডারের সংখ্যার মিল আছে কি না, তা সরেজমিনে দেখেন তিনি।গ্রাহকদের গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অযথা দেরি করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও খোঁজ নেন।পরিদর্শন শেষে আইসি সংশ্লিষ্ট ডিলারকে স্পষ্ট নির্দেশ দেন যে, সরবরাহ কোনোভাবেই ব্যাহত করা যাবে না। মজুত থাকা সত্ত্বেও কোনো গ্রাহককে ফিরিয়ে দেওয়া বা অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রশাসনের এই তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আঙ্গ্রাইল এলাকার এক বাসিন্দা জানান, "যুদ্ধের খবরের পর থেকেই আমাদের মনে একটা ভয় ছিল যে হয়তো গ্যাসের দাম বাড়বে বা পাওয়া যাবে না। কিন্তু পুলিশ যেভাবে সরাসরি ডিলারের অফিসে গিয়ে তদারকি করছে, তাতে আমরা অনেকটা নিশ্চিন্ত হলাম।"

প্রশাসনের এই কড়া নজরদারি জারি থাকলে অসাধু উপায়ে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা সফল হবে না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।


 সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকনটি প্রেস করে সাথে থাকুন। আপনার এলাকার কোনো বিশেষ খবর বা সমস্যা থাকলে আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না। দেখতে থাকুন [দিনকাল ইন্ডিয়া, সত্যের সন্ধানে আমরা সারাক্ষণ।"

গ্যাস সংকট'-এর গুজব এড়িয়ে চলার জন্য অনুরোধ দেশবাসীকে


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বিশ্ববাজারে অস্থিরতা এবং আমদানিতে সমস্যার আশঙ্কার মাঝেই রান্নার গ্যাসের (LPG) জোগান নিয়ে সাধারণ মানুষের দুশ্চিন্তা দূর করতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের প্রতিটি প্রান্তে রান্নার গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কালোবাজারি রুখতে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।


কেন্দ্রীয় সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, গ্যাস আমদানিতে কোনো সাময়িক সমস্যা দেখা দিলেও গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাস (Domestic LPG) সরবরাহে কোনো কোপ পড়বে না। শিল্পক্ষেত্র বা বাণিজ্যিক ব্যবহারের চেয়ে সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। 

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে: তেল শোধনাগারগুলিকে (Refineries) এলপিজি উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 পাইপলাইনের মাধ্যমে আসা গ্যাস (PNG) এবং সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে গৃহস্থদের জন্য ১০০ শতাংশ জোগান নিশ্চিত করা হবে।

 হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো জরুরি ক্ষেত্রগুলোতেও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে যাতে কেউ আতঙ্কিত না হন এবং মজুতদারি বা কালোবাজারি না হয়, তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বেশ কিছু প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েছে:

১. বুকিংয়ের সময়সীমা: দুটি সিলিন্ডার বুকিংয়ের মধ্যে ন্যূনতম ব্যবধান ২৫ দিন করা হয়েছে। আগে যা ছিল ২১ দিন। মূলত মজুতদারি রুখতেই এই সিদ্ধান্ত।

২. ই-কেওয়াইসি (e-KYC): প্রকৃত গ্রাহকদের কাছে দ্রুত গ্যাস পৌঁছে দিতে ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়ায় জোর দেওয়া হচ্ছে। যারা এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন, তারা ডেলিভারির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

৩. ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড (DAC): সিলিন্ডার হাতে পাওয়ার সময় গ্রাহকের মোবাইলে আসা ওটিপি বা ডিএসি কোড দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে সিলিন্ডার পাচার না হতে পারে।

কেন্দ্রের আশ্বাস: ভয়ের কিছু নেই

কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ এলপিজি মজুত রয়েছে। সরবরাহ শৃঙ্খল বা সাপ্লাই চেইনে যাতে কোনো বাধা না আসে, তার জন্য রাজ্য সরকারগুলোকে পরিকাঠামো ও নিরাপত্তার দিকে নজর দিতে বলা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো 'গ্যাস সংকট'-এর গুজব এড়িয়ে চলার জন্য দেশবাসীকে অনুরোধ করা হয়েছে।

সরকারের এই সক্রিয় ভূমিকার ফলে আগামী দিনগুলোতে গ্যাস বুকিং বা ডেলিভারি নিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখতে প্রশাসন এখন সরাসরি ডিস্ট্রিবিউটরদের ওপর নজরদারি চালাচ্ছে।

বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

SIR খসড়া তালিকা থেকে নাম বাদ: কল্যাণী মহকুমা শাসকের দপ্তরে ব্যাপক বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কল্যাণী: কল্যাণী বিধানসভা এলাকার S-I-R তালিকার খসড়া থেকে নাম বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে আজ বুধবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল কল্যাণী মহকুমা শাসকের দপ্তর চত্বর। কয়েকশ স্থানীয় বাসিন্দা আজ দুপুরে দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রকাশিত খসড়া তালিকায় অনেক প্রকৃত বাসিন্দার নাম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এদিন দুপুর থেকেই কল্যাণী মহকুমা শাসকের দপ্তরের মূল ফটকের সামনে ভিড় জমতে শুরু করে। বিক্ষোভকারীরা তাঁদের হাতে থাকা কাগজ ও নথি দেখিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। ভিড় সামলাতে এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন।

"আমরা বছরের পর বছর এখানে বসবাস করছি। অথচ আজ যখন তালিকা বের হলো, দেখছি আমাদের নাম নেই। প্রশাসন দায়সারা কাজ করছে। নাম অন্তর্ভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।" — একজন বিক্ষোভকারী বাসিন্দা।


মহকুমা শাসকের দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এটি একটি খসড়া তালিকা (Draft List) মাত্র। যাঁদের নাম বাদ গেছে বা ভুল এসেছে, তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অভিযোগ জানানোর সুযোগ দেওয়া হবে। সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় সংশোধনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

Video Link ----


দর্শক বন্ধু এরকমই নানা ধরনের খবরের আপডেট পেতে আমাদের দিনকাল ইন্ডিয়া চ্যানেল সাবসক্রাইব করুন, 

রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের জন্য বিরাট সুখবর! চালু হচ্ছে একগুচ্ছ নতুন গেদে লোকাল ট্রেন

রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের মাননীয় সাংসদ শ্রী জগন্নাথ সরকার মহাশয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং রেল মন্ত্রকের অনুমোদনে গেদে-শিয়ালদহ এবং গেদে-মাঝেরহাট শাখায় একাধিক নতুন লোকাল ট্রেন চালু হতে চলেছে। 


সাধারণ যাত্রী, নিত্যযাত্রী এবং ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে এই নতুন ট্রেনগুলি যাতায়াতের দুর্ভোগ অনেকটাই কমিয়ে দেবে।

এই ভিডিওতে আমরা প্রতিটি নতুন ট্রেনের সঠিক সময়সূচি (Timetable) এবং রুট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

🕒 নতুন ট্রেনগুলির সময়সূচি:

১. শিয়ালদহ – গেদে (আপ): শিয়ালদহ থেকে ছাড়বে সকাল ০৯:২৮, রানাঘাট পৌঁছাবে ১১:০১ এবং গেদে পৌঁছাবে দুপুর ১২:০৭ মিনিটে।

২. গেদে – শিয়ালদহ (ডাউন): গেদে থেকে ছাড়বে সকাল ০৮:২৬, রানাঘাট পৌঁছাবে ০৯:১৮ এবং শিয়ালদহ পৌঁছাবে ১০:৫৭ মিনিটে।

৩. শিয়ালদহ – গেদে (আপ): শিয়ালদহ থেকে ছাড়বে বিকেল ১৬:৫০, রানাঘাট পৌঁছাবে ১৮:৩৭ এবং গেদে পৌঁছাবে রাত ১৯:৩৮ মিনিটে।

৪. গেদে – মাঝেরহাট (ডাউন): গেদে থেকে ছাড়বে বিকেল ১৬:১৫ এবং মাঝেরহাট পৌঁছাবে রাত ১৯:২৮ মিনিটে।

৫. রানাঘাট – গেদে (আপ): রানাঘাট থেকে ছাড়বে সকাল ০৭:০৫ এবং গেদে পৌঁছাবে ০৭:৫৭ মিনিটে।

৬. গেদে – রানাঘাট (ডাউন): গেদে থেকে প্রতিদিন দুপুর ১৩:০০ টা এবং রাত ২০:২৫ মিনিটে দুটি ট্রেন রানাঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। 

Video Link ----- 

ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক করুন এবং শেয়ার করে সকল যাত্রীদের এই খুশির খবরটি জানিয়ে দিন।

📌 চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকুন আরও খবরের জন্য।

 #DinkaalIndia #Ranaghat #GedeLocal #IndianRailways #JagannathSarkar #NewTrain #Sealdah #WestBengalNews

শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

ভর সন্ধ্যায় হাবরায় সোনার দোকানে ডাকাতির চেষ্টা রুখল জনতা ও নিরাপত্তারক্ষী, আটক ১

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাবরা: ভর সন্ধ্যায় জনবহুল হাবরা বাজারে এক নামজাদা সোনার দোকানে ডাকাতির চেষ্টা রুখে দিল স্থানীয় জনতা ও দোকানের নিরাপত্তারক্ষী। শনিবার সন্ধ্যার এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সাহসিকতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করায় বড়সড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে জুয়েলারি শোরুমটি। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত যুবককে আটক করেছে হাবরা থানার পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় হাবরা বাজারের একটি নামজাদা সোনার দোকানে মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় এক যুবক প্রবেশের চেষ্টা করছিল। সন্দেহ হওয়ায় প্রবেশপথেই তাকে বাধা দেন দোকানের কর্তব্যরত নিরাপত্তারক্ষী। বাধা পেয়েই ওই যুবক মেজাজ হারিয়ে ফেলে এবং পকেট থেকে একটি ধারালো চাকু ও আগ্নেয়াস্ত্র সদৃশ বস্তু বের করে নিরাপত্তারক্ষীকে ভয় দেখাতে শুরু করে।

​ঠিক সেই সময় দোকানের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন এক পথচারী। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি অসীম সাহসের পরিচয় দিয়ে পেছন থেকে আততায়ীকে জাপটে ধরেন। তাঁর চিৎকার শুনে মুহূর্তের মধ্যে আশেপাশের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ছুটে আসেন এবং দুষ্কৃতীকে ধরে ফেলেন। জনরোষের মুখে পড়ে কার্যত কোণঠাসা হয়ে যায় ওই যুবক। স্থানীয়দের তৎপরতায় বড় কোনো অঘটন ঘটার আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

​ঘটনার খবর পাওয়ামাত্রই হাবরা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে একটি ধারালো চাকু উদ্ধার হয়েছে।

​পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ধৃত যুবক ঠিক কী উদ্দেশ্যে এবং কার মদতে সোনার দোকানে ঢোকার চেষ্টা করছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর পেছনে কোনো আন্তঃরাজ্য ডাকাত দল বা বড় কোনো চক্র কাজ করছে কিনা, তাও তদন্তের আওতাভুক্ত। অভিযুক্তের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

​ভর সন্ধ্যায় বাজারের মতো জনবহুল এলাকায় এমন দুঃসাহসিক চুরির চেষ্টায় অন্যান্য ব্যবসায়ীদের মধ্যেও সাময়িকভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ঘটনার পর থেকে এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও থমথমে ভাব বজায় রয়েছে।

Video Link ----


 উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা এলাকায় দম্পতির ওপর নৃশংস হামলা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে ছড়িয়েছে তীব্র উত্তেজনা। অভিযোগ, রাস্তা আটকে এক দম্পতিকে নির্জন মাঠে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয় এবং মহিলার শ্লীলতাহানি করা হয়। এমনকি ছিনিয়ে নেওয়া হয় সোনার হার। এই ঘটনায় ইতিমধেই একজনকে গ্রেফতার ও অপর একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ঘটনার সূত্রপাত যখন এক দম্পতি নিজেদের গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী তাদের পথ আটকায়। দম্পতিকে জোরপূর্বক একটি ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। প্রতিবাদ করতে গেলে ওই মহিলার স্বামীর ওপরও চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা।

সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগটি উঠেছে মহিলার ওপর শ্লীলতাহানির। দুষ্কৃতীরা মহিলার সঙ্গে জঘন্য আচরণ করে এবং শ্লীলতাহানি করে বলে লিখিত অভিযোগে জানানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, মহিলার গলায় থাকা সোনার চেনও দুষ্কৃতীরা ছিঁড়ে নেয় বলে খবর।

ঘটনার পর মুহূর্তেই গাইঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে নিগৃহীত পরিবারটি। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই দ্রুত তদন্তে নামে গাইঘাটা থানার পুলিশ। পুলিশি অভিযানে ইতিমধ্যেই জিৎ দাস নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি আজ আরও একজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ধৃত জিৎ দাসকে আজ বনগাঁ আদালতে পেশ করা হচ্ছে।


গোটা ঘটনার পেছনে আর কে কে জড়িত রয়েছে এবং এই হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত জারি রেখেছে গাইঘাটা থানার পুলিশ। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় যথেষ্ট আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।


 সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের চ্যানেলটি  (Subscribe) করতে ভুলবেন না। ধ

ন্যবাদ।"

মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

 নদীয়ায় জাল আধার চক্রের পর্দাফাঁস: পুলিশের জালে দুই মাস্টারমাইন্ড, উদ্ধার ল্যাপটপ ও সরঞ্জাম

নিজস্ব প্রতিনিধি, নদীয়া: সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় জাল নথিপত্র তৈরির কারবার রুখতে বড়সড় সাফল্য পেল নদীয়ার গাংনাপুর থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দিয়ে আধার কার্ড জালিয়াতি চক্রের দুই পাণ্ডাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে আধার কার্ড তৈরির ল্যাপটপ, মোবাইল এবং একাধিক ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম।

গাংনাপুর থানা সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই অভিযোগ আসছিল যে হাবিবপুর এলাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে আসা মানুষদের অবৈধভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র বানিয়ে দিচ্ছে। এই খবরের সত্যতা যাচাই করতে পুলিশ সাদা পোশাকে নজরদারি শুরু করে। মঙ্গলবার হাবিবপুর পি.এম এলাকা থেকে পুলিশ ওয়াসিম আকরাম মন্ডল বয়স ২৭এবং হুগলির হরিপালের বাসিন্দা পল্লব দুলে বয়স ৩১ দুজনকে হাতে-নাতে গ্রেফতার করে।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, এই চক্রটি মূলত বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের টার্গেট করত। তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে জাল আধার কার্ড ও অন্যান্য নথিপত্র তৈরি করে দেওয়া হতো। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ল্যাপটপ ও ফোন পরীক্ষা করে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্লু পাওয়ার আশা করছে পুলিশ।


ধৃত দুজনকে আজ রানাঘাট জেলা আদালতে পেশ করা হয়। এই চক্রের শিকড় কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এর পেছনে বড় কোনো মাথা কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ ধৃতদের ৭ দিনের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। ঘটনার তদন্ত জারি রয়েছে।

Video Link ----

সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬

বনগাঁ হেড পোস্ট অফিসে আরডিএক্স হামলার হুমকি! হুলস্থুল পড়ে গেল পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে

বনগাঁ: বৃহস্পতিবারের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের আতঙ্ক। এবার টার্গেট বনগাঁ হেড পোস্ট অফিসের পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র। শুক্রবার বেলা ১১টা নাগাদ একটি উড়ো মেইল আসে পোস্ট অফিসের আধিকারিকদের কাছে। যেখানে সাফ জানানো হয়, বেলা ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ আরডিএক্স (RDX) দিয়ে পুরো অফিস উড়িয়ে দেওয়া হবে।

মেইলটিতে দাবি করা হয়েছে, জনৈক জিহাদি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই হুমকি পাঠানো হয়েছে। সেখানে লেখা ছিল, "শুক্রবারই আসল জিহাদ, ১১টার মধ্যে অফিস খালি করুন।" মেইলটি দেখামাত্রই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। কালবিলম্ব না করে তৎক্ষণাৎ অফিস খালি করে বাইরে বেরিয়ে আসেন কর্মী ও সাধারণ মানুষ।

বনগাঁ হেড পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টার জানিয়েছেন, "মেইলটি পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা পুলিশকে খবর দিই এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ভবন খালি করার নির্দেশ দিই।" বর্তমানে পুলিশ ও প্রশাসন গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে। তল্লাশি চালানো হচ্ছে প্রতিটি কোণায়। তবে বারবার এই ধরণের হুমকিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

বনগাঁ পোস্ট অফিসের ঘটনা কি বড় কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ? 

আপনাদের মতামত কমেন্টে জানান। পরবর্তী আপডেট পাওয়া মাত্রই আমরা আপনাদের জানাব। আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এক্ষুনি সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকনটি প্রেস করে রাখুন। সতর্ক থাকুন, আমাদের সাথেই থাকুন

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ইডেনে ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’ লড়াই, জয়ের লক্ষ্যে মা কালীর শরণে গৌতম গম্ভীর

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সমীকরণটা পরিষ্কার—সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে হলে রবিবার ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতেই হবে।


ভারতীয় ক্রিকেট মহলে এই ম্যাচকে ঘিরে এখন থেকেই ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’-এর আবহ। আর এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের চব্বিশ ঘণ্টা আগে কলকাতার জাগ্রত দেবী মা কালীর আশীর্বাদ নিলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর।

​শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ কলকাতায় পা রাখে টিম ইন্ডিয়া। পরিকল্পনা ছিল সেদিনই কালীঘাটে যাওয়ার, কিন্তু সূচি পরিবর্তনের কারণে তা সম্ভব হয়নি। ফলে শনিবার সকালে আর দেরি করেননি গম্ভীর। সাতসকালেই পৌঁছে যান কালীঘাট মন্দিরে। নিষ্ঠা ভরে পুজো দিয়ে দলের মঙ্গলকামনা করেন তিনি।

​প্রসঙ্গত, গৌতম গম্ভীরের কাছে এটি নতুন কিছু নয়। আইপিএল-এর সময় কেকেআর মেন্টর হিসেবে যখনই কলকাতায় এসেছেন, নিয়ম করে কালীঘাটে পুজো দিয়েছেন। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের সময়ও তাঁকে মন্দিরে দেখা গিয়েছিল। বরাবরই তিনি বিশ্বাস করেন, মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আধ্যাত্মিক শক্তিও মানসিক দৃঢ়তা জোগায়। রবিবাসরীয় ইডেনে মরণ-বাঁচন ম্যাচের আগে গম্ভীরের এই মন্দির দর্শন কি ভাগ্য ফেরাতে পারবে টিম ইন্ডিয়ার? এখন সেদিকেই তাকিয়ে আপামর ক্রিকেট প্রেমীরা।



শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বনগাঁ ও ঠাকুরনগরে ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্প! আতঙ্কিত স্কুল পড়ুয়ারা।

 নিজস্ব প্রতিনিধি, বনগাঁ: উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ মহকুমা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুভূত হলো মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প। শুক্রবার দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ আচমকা এই কম্পনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা ও ওপার বাংলার সাতক্ষীরা জেলায় এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৯।

সবচেয়ে বেশি আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় ঠাকুরনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে। দুপুরবেলা যখন পুরোদমে ক্লাস চলছিল, সেই সময় হঠাৎই স্কুল ভবন কাঁপতে শুরু করে। ভূমিকম্প টের পাওয়া মাত্রই ক্লাসরুমের ভেতর হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। তবে শিক্ষকদের তৎপরতায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। টিফিনের ঘণ্টা বাজার আগেই তড়িঘড়ি সমস্ত পড়ুয়াকে ক্লাসরুম থেকে বের করে স্কুলের খোলা মাঠে নিয়ে আসা হয়। দীর্ঘক্ষণ আতঙ্কে মাঠে দাঁড়িয়ে থাকে ছাত্রছাত্রীরা।বনগাঁ ও সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় কম্পন বেশ জোরালো অনুভূত হলেও, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এখনো পর্যন্ত কোথাও কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর মেলেনি। তবে সীমান্ত সংলগ্ন পুরনো বাড়িগুলোতে কোনো ফাটল ধরেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এক নজরে আজকের ভূমিকম্প:

সময়: দুপুর ১টা ২২ মিনিট।মাত্রা: ৪.৯ (রিখটার স্কেল)।উৎসস্থল: বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা (ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন)।

প্রভাবিত এলাকা: বনগাঁ, ঠাকুরনগর, গাইঘাটা এবং ওপার বাংলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল।

বিকেলের দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে পরবর্তী কম্পন বা 'আফটার শক' নিয়ে চাপা উদ্বেগ রয়ে গেছে।

Video Link --- 


DINKAAL INDIA-র পর্দায় খবরের আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।