নিজস্ব প্রতিনিধি, গাইঘাটা: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার পড়তে শুরু করেছে সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার জেরে দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে টান পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর এই সুযোগে একদল অসাধু ব্যবসায়ী যাতে ‘কৃত্রিম সংকট’ তৈরি করে কালোবাজারি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে এবার কোমর বেঁধে নামল প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা থানার আইসি শুভাশিস দত্তের নেতৃত্বে গাইঘাটার আঙ্গ্রাইল এলাকায় একটি H P গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর অফিসে আচমকা হানা দেয় পুলিশ।অভিযান চলাকালীন আইসি শুভাশিস দত্ত ডিস্ট্রিবিউটর অফিসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দিক খতিয়ে দেখেন।বর্তমানে কত পরিমাণ গ্যাস মজুত আছে এবং প্রতিদিন কত বুকিং হচ্ছে, তার সামঞ্জস্য যাচাই করা হয়।কাগজে-কলমে থাকা হিসাবের সঙ্গে গোডাউনের সিলিন্ডারের সংখ্যার মিল আছে কি না, তা সরেজমিনে দেখেন তিনি।গ্রাহকদের গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অযথা দেরি করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও খোঁজ নেন।পরিদর্শন শেষে আইসি সংশ্লিষ্ট ডিলারকে স্পষ্ট নির্দেশ দেন যে, সরবরাহ কোনোভাবেই ব্যাহত করা যাবে না। মজুত থাকা সত্ত্বেও কোনো গ্রাহককে ফিরিয়ে দেওয়া বা অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রশাসনের এই তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আঙ্গ্রাইল এলাকার এক বাসিন্দা জানান, "যুদ্ধের খবরের পর থেকেই আমাদের মনে একটা ভয় ছিল যে হয়তো গ্যাসের দাম বাড়বে বা পাওয়া যাবে না। কিন্তু পুলিশ যেভাবে সরাসরি ডিলারের অফিসে গিয়ে তদারকি করছে, তাতে আমরা অনেকটা নিশ্চিন্ত হলাম।"
প্রশাসনের এই কড়া নজরদারি জারি থাকলে অসাধু উপায়ে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা সফল হবে না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকনটি প্রেস করে সাথে থাকুন। আপনার এলাকার কোনো বিশেষ খবর বা সমস্যা থাকলে আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না। দেখতে থাকুন [দিনকাল ইন্ডিয়া, সত্যের সন্ধানে আমরা সারাক্ষণ।"

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন