অনুসরণকারী/follow

SOCIAL MEDIA

Translate

শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৫

মেঘালয় মহিলা ক্রিকেট দলের ঐতিহাসিক জয় /Meghalaya Women’s Team Makes History | NECDC Champions 2025!"

 

Meghalaya Women’s Cricket Team Makes History | NECDC Champions 2025!"

মেঘালয়ের মহিলা ক্রিকেট দলের ঐতিহাসিক জয়: এনইসিডিএসির আন্তঃরাজ্য টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন

সিকিম, ১২ এপ্রিল ২০২৫ — আজ ইতিহাসের পাতায় নতুন একটি অধ্যায় লিখে দিল মেঘালয়ের মহিলা ক্রিকেট দল। সিকিমে অনুষ্ঠিত ২য় নর্থইস্ট ক্রিকেট ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল (NECDC) এর সিনিয়র মহিলা আন্তঃরাজ্য টুর্নামেন্টে তারা অপরাজিত থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে, হয়ে উঠেছে চ্যাম্পিয়ন।

প্রতিযোগিতাটি শুরু থেকেই উত্তেজনাপূর্ণ ছিল। মেঘালয় দল সেমিফাইনালে দক্ষতার সঙ্গে নাগাল্যান্ডকে পরাজিত করে ফাইনালে জায়গা করে নেয়। আজকের ফাইনাল ম্যাচেও তাদের প্রতিপক্ষ  সিকিম মহিলা দলকে হারিয়ে  তুলে নেয় জয়ের মুকুট। টুর্নামেন্টজুড়ে দলের পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া – বোলিং, ব্যাটিং ও ফিল্ডিং, সবক্ষেত্রেই তারা দেখিয়েছে অসাধারণ দৃঢ়তা ও টিম স্পিরিট।

খেলা শেষে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। মেঘালয় দলের হাতে তুলে দেওয়া হয় চ্যাম্পিয়নশিপ ট্রফি ও একটি সম্মানজনক আর্থিক পুরস্কার। খেলোয়াড় ও কোচদের চোখে ছিল আনন্দের অশ্রু, আর মুখে ছিল বিজয়ের হাসি।

মেঘালয় ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “এই সাফল্য কেবল একটি জয় নয়, এটি রাজ্যের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন যুগের সূচনা। আমরা চাই এই অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও অনুপ্রাণিত করুক।”

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোর মধ্যে মহিলা ক্রিকেটের যে উন্নয়ন ঘটছে, তার স্পষ্ট প্রমাণ মেঘালয়ের এই জয়। এটি নতুন খেলোয়াড়দের আগ্রহী করবে এবং ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নের পথ আরও প্রশস্ত করবে।

এই জয়ের মাধ্যমে মেঘালয় দল শুধুমাত্র একটি ট্রফি জয় করেনি, তারা গোটা উত্তর-পূর্বের মেয়েদের জন্য তৈরি করেছে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

ভিডিও লিংক নিচে দেওয়া রইল ক্লিক করে দেখতে পারেন



শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫

রানাঘাটে বিজেপি পার্টি অফিসের আশপাশে পড়েছে 'গো ব্যাক শুভেন্দু' পোস্টার

 রামনবমীর পূজো ও মেলার শুভ উদ্বোধনের জন্য আজ রানাঘাটে আসছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে তার আগেই শুরু হয়েছে উত্তেজনা। রানাঘাটের বিশ্বাস পাড়ায় বিজেপি পার্টি অফিসের আশপাশে পড়েছে 'গো ব্যাক শুভেন্দু' পোস্টার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।"

পুরো ভিডিও টি দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন 



শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫

চৈত্রের রোদেও থেমে নেই উড়ান! নদিয়ায় ঘুড়ি ওড়ানোর প্রতিযোগিতা #Bengali #Culture #KiteFestival2025

 🎉 তীব্র গরম উপেক্ষা করেই নদিয়ার পালপাড়ায় ঘুড়ি ওড়ানোর জমজমাট প্রতিযোগিতা!

গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অভিনব এক উদ্যোগ নিয়েছেন নদিয়ার চাকদা থানার পালপাড়া একতারপুর এলাকার যুবকরা। একসময় যেই খেলা ছিল আনন্দের অন্যতম মাধ্যম, আজ সেটাকেই ফিরিয়ে আনলেন মোবাইল আসক্তির যুগে। প্রায় ৫০টি দল অংশ নেয় এই প্রতিযোগিতায়।

পুরো ভিডিওটি ইউটিউব লিংক নিচে দেওয়া হল 

#KiteFestival2025  

#BengaliCulture  

#TraditionalGames  

#NadiaEvent  

#PulpadaKiteCompetition  

#VillageVibes  

#BengaliTradition  

#KiteFlying  

#ঘুড়ি_উড়ানো  

#BanglaLifestyle  

#MobileFreeActivity  

#চৈত্রের_খেলা  

#YouthInitiative  

#ঘুড়ি_প্রতিযোগিতা

বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫

রানাঘাটের পুলক কর্মকারের ছবি দ্বিতীয়বারের জন্য মুম্বাই চিত্র প্রদর্শনীতে

 


রানাঘাট রামনগরের বাসিন্দা পুলক কর্মকারের ছবি দ্বিতীয়বারের জন্য মুম্বাইয়ের এক বিখ্যাত শিল্প প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। তাঁর সৃজনশীল কাজ এবারও বিভিন্ন নামী চিত্রশিল্পীদের সাথে সমানভাবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। নদীয়া জেলার গর্ব পুলক কর্মকার তাঁর চিত্রশিল্পের মাধ্যমে শিল্প জগতে নিজের বিশেষ স্থান করে নিচ্ছেন।

শিল্প প্রদর্শনীটি মুম্বাইয়ের একটি নামকরা আর্ট গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, যেখানে ভারতের খ্যাতনামা শিল্পীদের আঁকা ছবি প্রদর্শিত হবে। পুলক কর্মকারের ছবি আগেও বিভিন্ন প্রদর্শনীতে প্রশংসিত হয়েছে এবং এবারও তাঁর শিল্পকর্ম নতুন মাত্রা অর্জন করতে চলেছে।


স্থানীয় বাসিন্দারা ও শিল্পপ্রেমীরা পুলক কর্মকারের এই সাফল্যে গর্বিত। রানাঘাট তথা নদীয়া জেলার জন্য এটি একটি বড় সম্মানের বিষয়। তাঁর সৃষ্টির মধ্যে যে আবেগ ও দক্ষতার মেলবন্ধন রয়েছে, তা শুধু স্থানীয় নয়, বরং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শিল্প মহলেও সমাদৃত হচ্ছে।

এই সাফল্য শুধুমাত্র পুলক কর্মকারের জন্য নয়, বরং সমগ্র নদীয়া জেলার জন্য এক গর্বের মুহূর্ত। ভবিষ্যতে তাঁর শিল্প আরও অনেক দূর এগিয়ে যাক, এই আশা রাখছেন সকলেই।

মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫

#SaveAsmika ছোট্ট আস্মিকার চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন সাড়া শুভেন্দু অধিকারীর

ছোট্ট আস্মিকার চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন সাড়া শুভেন্দু অধিকারীর রানাঘাট: রানাঘাটের স্বামী বিবেকানন্দ সরণির দাসপাড়ার বাসিন্দা শুভঙ্কর দাস ও লক্ষ্মী দাসের কন্যা, ছোট্ট আস্মিকা একটি বিরল রোগে আক্রান্ত। তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন একটি বিশেষ ইঞ্জেকশন, যার মূল্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হওয়ায় শুভঙ্কর ও লক্ষ্মী দাসের পক্ষে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা একপ্রকার অসম্ভব।

এই পরিস্থিতিতে, শিশুটির চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে শুভঙ্কর বাবু সকলের কাছে আবেদন জানান। তার এই আবেদন সাড়া ফেলেছে সমাজের বিভিন্ন স্তরে। এই মানবিক উদ্যোগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এলাকার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ, তিনি তার বিধায়ক হিসেবে পাওয়া বেতনের থেকে ১০ লক্ষ টাকা ছোট্ট আস্মিকার চিকিৎসার জন্য শুভঙ্কর বাবুর হাতে তুলে দেন। তবে, এখনো প্রায় দেড় কোটি টাকার প্রয়োজন রয়েছে, যা একমাত্র সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সংগ্রহ করা সম্ভব। শিশুটির সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আবেদন জানানো হয়েছে। যে কোনো পরিমাণ আর্থিক সহায়তা আস্মিকার পরিবারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে আমরা ছোট্ট আস্মিকার ভবিষ্যতকে আরো সুন্দর ও উজ্জ্বল করতে পারি। আসুন, মানবতার সেবায় আমরা সকলে একসঙ্গে এগিয়ে আসি।

আপনার কি রুপালি পর্দায় নিজেকে দেখার স্বপ্ন? ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলতে চান? নিচের ছবিতে ক্লিক করুন


 

শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫

মায়াপুর ইসকন মন্দিরে ফুলের দোল উৎসব

মায়াপুর, নদিয়া, ১৫ মার্চ: গতকাল মায়াপুর ইসকন মন্দিরে দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে এক অপূর্ব ও পবিত্র ফুলের দোল উৎসব উদযাপিত হয়। হাজার হাজার ভক্তের উপস্থিতিতে এই উৎসব এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ সৃষ্টি করে।

দোল পূর্ণিমা, যা শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীরাধার মিলনোৎসব হিসেবেও পরিচিত, সেই উপলক্ষে মায়াপুর ইসকন মন্দির মনোরম ফুলের সাজে সজ্জিত হয়েছিল। সকাল থেকেই ভক্তরা মন্দির প্রাঙ্গণে সমবেত হতে শুরু করেন। মন্দিরের পুরোহিতগণ শ্রীশ্রী রাধা-মাধবের বিশেষ পূজা এবং অভিষেক করেন। এরপর হরিনাম সংকীর্তন, ভাগবত পাঠ এবং নানা ধরনের ভক্তিমূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

এই উৎসবের বিশেষত্ব হলো, এখানে সাধারণ রঙের পরিবর্তে শুধুমাত্র ফুল ব্যবহার করা হয়। দুপুরের দিকে শুরু হয় অনন্য ফুলের খেলা, যেখানে ভক্তরা একে অপরের ওপর নানা রঙের সুগন্ধি ফুল ছিটিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। এটি এক বিশেষ আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা সৃষ্টি করে, যেখানে ভগবানকে উৎসর্গ করা ফুল ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। সারা মন্দির চত্বর ফুলের সৌরভে ভরে ওঠে।

উৎসব উপলক্ষে ইসকন মন্দির কর্তৃপক্ষ প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করে, যেখানে হাজার হাজার ভক্ত মহাপ্রসাদ গ্রহণ করেন। দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক ও ভক্ত এই শুভ মুহূর্তের সাক্ষী হতে এখানে আসেন।

মায়াপুর ইসকন মন্দিরের প্রধান অধ্যক্ষ বলেন, “দোল পূর্ণিমা কেবল রঙের উৎসব নয়, এটি শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীরাধার প্রেমের মহোৎসব। আমাদের মায়াপুর ধামে আমরা শুধুমাত্র ফুল ব্যবহার করে এই উৎসব উদযাপন করি, যা এক বিশেষ পবিত্রতার অনুভূতি এনে দেয়।”

এই বর্ণাঢ্য ফুলের দোল উৎসব ভক্তদের মনে এক অপূর্ব স্মৃতি তৈরি করেছে। আগামী বছর আবারও একই উচ্ছ্বাসে দোল পূর্ণিমা উদযাপনের প্রত্যাশায় সবাই

রবিবার, ২ মার্চ, ২০২৫

বিবেকানগর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান

বিবেকানগর রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে আজ এক বিশেষ সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মঠের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর রাখতে প্রতিদিন যাঁরা নিরলসভাবে পরিশ্রম করেন, তাঁদের এই মহৎ কাজকে স্বীকৃতি জানাতে মন্দির চত্বরে এক ব্যতিক্রমী আয়োজনে তাঁদের সম্মান জানানো হয়।

ভিডিও লিংক 

পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য

বিবেকানগর রামকৃষ্ণ মঠের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু করে মন্দির চত্বর, আশ্রম, টয়লেট-বাথরুমসহ আশ্রমের প্রতিটি কোণ পরিষ্কার করেন। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই এই প্রতিষ্ঠান সবসময় পরিচ্ছন্ন ও পূজনীয় পরিবেশ বজায় রাখতে সক্ষম হয়। তাঁদের এই অবদানকে স্বীকৃতি জানিয়ে আজকের দিনে তাঁদের মন্দিরে বসিয়ে বিশেষ পূজার আয়োজন করা হয়।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত সন্ন্যাসী ও আশ্রমের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ত্যাগ ও পরিশ্রমের কথা স্মরণ করেন এবং তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পরে তাঁদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয় এবং তাঁদের মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

সমাজের প্রতি বার্তা

এইআয়োজনের মাধ্যমে বিবেকানগর রামকৃষ্ণ মঠ সমাজের প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছে দিয়েছে—পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা আমাদের সমাজের অমূল্য অংশ এবং তাঁদের যথাযথ সম্মান প্রদান করা উচিত। তাঁদের কঠোর পরিশ্রম ও অবদান ছাড়া পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব নয়।

অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে, যাতে সমাজের সকল স্তরের মানুষের প্রতি সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শন নিশ্চিত করা যায়।

নতুন খবরের আপডেট 



বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

কোথায় দ্রুত রেলপথ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হতে চলেছে

জয়দীপ মৈত্র, ২৬ফেব্রুয়ারী,দক্ষিণ দিনাজপুর: দ্রুত কালিয়াগঞ্জ - বুনিয়াদপুর রেলপথ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হতে চলেছে। পাশাপাশি বালুরঘাট - হিলি রেলপথ সম্প্রসারণে রেলপথ স্থাপনের কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে জানালেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। 

এদিন তিনি বলেন, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে এই বিষয়ে জানানোর পর তিনি এদিন চিঠি দিয়ে জানান বালুরঘাট - হিলি রেলের জমি অধিগ্রহণ যতদূর পর্যন্ত হয়েছে সেই জমিতে লাইন পাতার কাজ শুরু করা হবে, বাকি জমি অধিগ্রহণের কাজ হবে। 

অপরদিকে কালিয়াগঞ্জ - বুনিয়াদপুর রেল সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণের টাকা বরাদ্দ করেছে রেল, দ্রুত জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হবে। 

সেদিন রেলমন্ত্রী বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার এবং রায়গঞ্জের সংসদ কার্তিক পাল কে চিঠি দিয়ে


 কালিয়াগঞ্জ - বুনিয়াদপুর জমি অধিগ্রহণের কাজ এবং বালুরঘাট - হিলি রেল লাইন পাতার কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে জানিয়েছেন।

সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

স্টার অ্যাথলিট অফ দ্য ইয়ার: নতুন দিগন্তের পথে এক সাহসী পদক্ষেপ

স্টার অ্যাথলিট অফ দ্য ইয়ার: নতুন দিগন্তের পথে এক সাহসী পদক্ষেপ

ওরিয়েন্টাল চেম্বার অফ কমার্স দ্বারা "স্টার অ্যাথলিট অফ দ্য ইয়ার" নির্বাচিত হওয়া কেবলমাত্র ব্যক্তিগত সাফল্যের প্রতিফলন নয়, বরং এটি খেলাধুলার ক্ষেত্রে মহিলাদের জন্য নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করার এক অনন্য মাইলফলক। এই সম্মাননা প্রাপ্তির মাধ্যমে আমি শুধু নিজের জয় উদযাপন করছি না, বরং আরও অনেক নারী ক্রীড়াবিদকে অনুপ্রাণিত করতে চাই।

মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সাথে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সাথে আমার আলোচনা অত্যন্ত অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ ছিল, যেখানে আমরা ভারতের অর্থনৈতিক কাঠামো এবং তাতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টদের ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। পাশাপাশি, আমরা জিএসটি সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় এবং কেটলবেল স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়েও মতবিনিময় করেছি। এই আলোচনা নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এবং ক্রীড়াক্ষেত্রের প্রসারের সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ ও অনুপ্রেরণা

এই অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক উপস্থিতি ছিল সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। অস্ট্রেলিয়ার কনসাল জেনারেল আমার ২০১৯ সালের অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্ব খেতাব জয় নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতের ক্রীড়াজগতের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। অন্যদিকে, জার্মান কনসুলেট জেনারেল আমার ক্রীড়া যাত্রা নিয়ে গভীর আগ্রহ দেখিয়েছেন এবং আমার সম্মুখীন হওয়া চ্যালেঞ্জ ও অর্জন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন।

একটি নতুন দিগন্তের সূচনা

এই সম্মাননা কেবলমাত্র ব্যক্তিগত সাফল্যের স্বীকৃতি নয়, এটি মহিলাদের খেলাধুলার অগ্রগতির প্রতীক। আমি বিশ্বাস করি, এই অর্জন ভবিষ্যতে আরও বেশি সংখ্যক নারী ক্রীড়াবিদকে তাদের স্বপ্ন পূরণে উৎসাহিত করবে এবং আমাদের সমাজে নারীদের ক্রীড়াক্ষেত্রে অংশগ্রহণ আরও সুদৃঢ় করবে।

এই বিশেষ মুহূর্তটি আমাকে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, এবং আমি আশা করি, ভবিষ্যতে আরও অনেক নারী এই পথ ধরে এগিয়ে যাবেন এবং বিশ্ব দরবারে নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরবেন।