অনুসরণকারী/follow

SOCIAL MEDIA

Translate

বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ভোটের আগে মাস্টারস্ট্রোক বিজেপির: পদ্ম শিবিরে প্রাক্তন এনএসজি কর্তা ও কেবিসি বিজয়ী, যোগ দিলেন ক্ষিতি-কন্যাও

 ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার ঠিক আগেই রাজ্যে বড়সড় সাংগঠনিক চমক দিল ভারতীয় জনতা পার্টি। মঙ্গলবার সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। যার মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য নাম প্রাক্তন এনএসজি (NSG) কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তী এবং ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি ২০২৫’-এর বিজয়ী তথা প্রাক্তন সিআরপিএফ অফিসার বিপ্লব বিশ্বাস।


এদিন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর হাত থেকে দলীয় পতাকা তুলে নেন নবাগতরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং বিধায়ক ডা. শঙ্কর ঘোষও।একই পরিবারে তিন ধারা

যোগদানকারীদের তালিকায় রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ নাম হলো সুশ্রী কস্তুরী গোস্বামী। তিনি বাম আমলের দাপুটে মন্ত্রী তথা প্রয়াত আরএসপি নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর কন্যা। কস্তুরী দেবীর দিদি বসুন্ধরা গোস্বামী বর্তমানে তৃণমূলের কাউন্সিলর। ফলে বাবা ছিলেন বাম রাজনীতির কাণ্ডারি, এক মেয়ে তৃণমূল এবং অন্য মেয়ে বিজেপিতে— একই পরিবারে তিন ভিন্ন মেরুর রাজনৈতিক অবস্থান এখন রাজ্য রাজনীতির চর্চার কেন্দ্রবিন্দু।অন্যদিকে, প্রাক্তন এনএসজি আন্ডারকভার এজেন্ট দীপাঞ্জন চক্রবর্তী এবং সিআরপিএফ-এর অবসরপ্রাপ্ত ডিএসপি বিপ্লব বিশ্বাসকে দলে টেনে বিজেপি ‘সুরক্ষা ও জাতীয়তাবাদ’-এর বার্তাকে আরও সুসংহত করতে চাইছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এছাড়া দীর্ঘদিনের আরএসএস ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব ডা. অক্ষয় বিনজরাজকাও এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন।

যোগদান মেলার পাশাপাশি এদিন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পক্ষ থেকে “আঁধারের কত কথা” শীর্ষক একটি বই প্রকাশ করা হয়। দলীয় নেতৃত্বের দাবি, এই বইয়ে রাজ্যের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি, রাজনৈতিক হিংসা এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার এক প্রামাণ্য দলিল তুলে ধরা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী জানান, পশ্চিমবঙ্গের তথাকথিত “মহাজঙ্গলরাজ”-এর স্বরূপ সাধারণ মানুষের সামনে আনতেই এই উদ্যোগ।

রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের এই যোগদান প্রমাণ করে যে রাজ্যের মানুষ ইতিবাচক পরিবর্তন চাইছেন।” বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মতে, “নতুন সদস্যদের অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবে।

কোন মন্তব্য নেই: