অনুসরণকারী/follow

SOCIAL MEDIA

Translate

রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নির্বাচনের আগেই তপ্ত বাংলা: কেন্দ্রীয় বাহিনী থেকে সেলিম-মীনাক্ষী, বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, শ্রীরামপুর: লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই নিজের চেনা মেজাজে ধরা দিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থেকে শুরু করে সিপিএম ও আইএসএফ নেতৃত্ব— একাধিক ইস্যুতে বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন তিনি। তাঁর একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্যে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।


নির্বাচন ঘোষণার আগেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি বলেন, “৪৮০ কোম্পানি কেন, ১৪৮০ দিলেও কিছু যায় আসে না। ওদের কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে, কিন্তু আমাদের সঙ্গে ১০ কোটি মানুষ আছে। ভোটটা মানুষ দেবে, কোম্পানির লোক দেবে না।” তাঁর এই মন্তব্যে পরিষ্কার যে, বাহিনীর উপস্থিতিকে আমল না দিয়ে জনসমর্থনের ওপরই বেশি ভরসা রাখছে শাসক দল।

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে নজিরবিহীনভাবে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “সেলিম সিপিএম পার্টিটাকে নষ্ট করেছে। ওর মতো ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অহংকারী মানুষ আমি আগে দেখিনি। যতদিন সেলিমের মতো দাম্ভিক লোক থাকবে, ততদিন সিপিএমের আরও অবক্ষয় হবে।”

পাশাপাশি, তরুণী নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কেও ছেড়ে কথা বলেননি তিনি। উত্তরপাড়া প্রসঙ্গে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে কল্যাণবাবু বলেন, “মীনাক্ষী উত্তরপাড়ায় দাঁড়ালে হারিয়ে ভূত করে ছেড়ে দেব।” তাঁর দাবি, সিপিএমের অন্দরে এখন শুধু মীনাক্ষীকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে দলের বাকি তরুণ নেতৃত্ব অসন্তুষ্ট।

ভাঙড়ের বিধায়ক শওকত মোল্লার ওপর হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (ISF)-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, এই নির্বাচনে আইএসএফ পুরোপুরি “মুছে যাবে”।

অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের রাজনৈতিক কর্মসূচি বা ‘রথযাত্রা’-কেও বিঁধতে ছাড়েননি তিনি। তাঁর মতে, “রথের চাকা যত গড়াবে, বিরোধীদের তত হাজার হাজার ভোট কমবে।” ---

Video Link ---- 



কোন মন্তব্য নেই: